
১৬ জুলাই ২০২৫:
জুলাই শহীদ দিবসের কর্মসূচি শেষে ফেরার পথে জাতীয় সাংস্কৃতিক পার্টি (এনসিপি) নেতাদের গাড়িবহরে আওয়ামী লীগের দোসররা ন্যাক্কারজনক হামলা চালিয়েছে। এই হামলার সময় হামলাকারীদের সঙ্গে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া হয়েছে। এতে এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে।
এনসিপির আয়োজিত সমাবেশে মঞ্চে আগুন লাগিয়ে দেয় সন্ত্রাসীরা। গোপালগঞ্জে সহিংস পরিস্থিতি মোকাবেলায় জেলা প্রশাসক ১৪৪ ধারা জারি করেছেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ ও সেনাবাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে।
এ ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়ে জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টি (এনডিপি)-র চেয়ারম্যান খোন্দকার গোলাম মোর্তজা এবং মহাসচিব মো. মঞ্জুর হোসেন ঈসা বলেন:
“শহীদ আবু সাইদের রক্তের সাথে বেঈমানি করতে দেওয়া যাবে না। জুলাই শহীদ দিবসে যদি গোপালগঞ্জে এভাবে তাণ্ডব চালানো হয়, তাহলে আগস্টে তারা মরণ কামড় দেবে, এতে কোনো সন্দেহ নেই। এটাই সময়—ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ গণপ্রতিরোধ গড়ে তোলার।”
তারা আরও বলেন,
“আমরা প্রস্তুত। আপনি কি তৈরি আছেন? যারা গুম, খুন, দমন-পীড়নের রাজনীতি করেছে, তাদের বিরুদ্ধে এখনই রুখে দাঁড়াতে হবে। আজ গোপালগঞ্জ, কাল হয়তো অন্য জেলা—এই ছড়ানো আগুন থামাতে হলে এখনই জবাব দিতে হবে।”
এনডিপি নেতৃত্ব সরকারের কাছে প্রশ্ন রেখেছে—জুলাই শহীদ দিবসে যেসব মানুষ শহীদদের স্মরণে জড়ো হয়েছিল, তাদের ওপর হামলা চালিয়ে কি সরকার নিজেই স্বীকার করলো যে তারা গণভীতির ওপরই দাঁড়িয়ে আছে?
ফ্যাসিবাদ নিপাত যাক—গণতন্ত্র মুক্ত হোক।গোপালগঞ্জে এনসিপি নেতাদের গাড়িবহরে হামলা, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ১৪৪ ধারা জারি: এনডিপির তীব্র নিন্দা ও গণপ্রতিরোধের ডাক
১৬ জুলাই ২০২৫:
জুলাই শহীদ দিবসের কর্মসূচি শেষে ফেরার পথে জাতীয় সাংস্কৃতিক পার্টি (এনসিপি) নেতাদের গাড়িবহরে আওয়ামী লীগের দোসররা ন্যাক্কারজনক হামলা চালিয়েছে। এই হামলার সময় হামলাকারীদের সঙ্গে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া হয়েছে। এতে এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে।
এনসিপির আয়োজিত সমাবেশে মঞ্চে আগুন লাগিয়ে দেয় সন্ত্রাসীরা। গোপালগঞ্জে সহিংস পরিস্থিতি মোকাবেলায় জেলা প্রশাসক ১৪৪ ধারা জারি করেছেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ ও সেনাবাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে।
এ ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়ে জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টি (এনডিপি)-র চেয়ারম্যান খোন্দকার গোলাম মোর্তজা এবং মহাসচিব মো. মঞ্জুর হোসেন ঈসা বলেন:
“শহীদ আবু সাইদের রক্তের সাথে বেঈমানি করতে দেওয়া যাবে না। জুলাই শহীদ দিবসে যদি গোপালগঞ্জে এভাবে তাণ্ডব চালানো হয়, তাহলে আগস্টে তারা মরণ কামড় দেবে, এতে কোনো সন্দেহ নেই। এটাই সময়—ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ গণপ্রতিরোধ গড়ে তোলার।”
তারা আরও বলেন,
“আমরা প্রস্তুত। আপনি কি তৈরি আছেন? যারা গুম, খুন, দমন-পীড়নের রাজনীতি করেছে, তাদের বিরুদ্ধে এখনই রুখে দাঁড়াতে হবে। আজ গোপালগঞ্জ, কাল হয়তো অন্য জেলা—এই ছড়ানো আগুন থামাতে হলে এখনই জবাব দিতে হবে।”
এনডিপি নেতৃত্ব সরকারের কাছে প্রশ্ন রেখেছে—জুলাই শহীদ দিবসে যেসব মানুষ শহীদদের স্মরণে জড়ো হয়েছিল, তাদের ওপর হামলা চালিয়ে কি সরকার নিজেই স্বীকার করলো যে তারা গণভীতির ওপরই দাঁড়িয়ে আছে?
ফ্যাসিবাদ নিপাত যাক—গণতন্ত্র মুক্ত হোক।