1. dailyainerkantho@gmail.com : admin :
এফআইআরে নাম না থাকলেও নুসরাত হত্যা মামলায় সাজা খাটছেন অর্ধ যুগের বেশি. হাইকোর্টে ন্যায়বিচার চান ভক্তভোগীর স্বজনরা. - dailyainerkantho
৩০শে জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ| ১৫ই শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ| বর্ষাকাল| বৃহস্পতিবার| বিকাল ৩:৪৯|
শিরোনামঃ
এফআইআরে নাম না থাকলেও নুসরাত হত্যা মামলায় সাজা খাটছেন অর্ধ যুগের বেশি. হাইকোর্টে ন্যায়বিচার চান ভক্তভোগীর স্বজনরা. হরিণাকুণ্ডু উপজেলা আইন-শৃঙ্খলা কমিটির মাসিক সভা অনুষ্ঠিত: স্কাউটিং কে গতিশীল করতে আমি সর্বাত্মক সহযোগিতা করবো- গাজালা পারভীন রুহী বগুড়ায় ডিবি পুলিশের অভিযানে ২ হাজার ট্যাপেন্টারডল ট্যাবলেট উদ্ধার, তিনজন গ্রেপ্তার!! আদমদীঘি থানা পুলিশের বিশেষ অভিযানে নারী সহ গ্রেপ্তার-৮!! নেত্রকোণা ইউনিয়ন পর্যায়ে জনপ্রিয়তার শীর্ষে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মজিবুর রহমান ধর্মপাশা জয়শ্রী ইউনিয়নে আলোচনার তুঙ্গে কারানির্যাতিত যুবদল নেতা আবুল বাশার একই প্রকল্পে দুই দফা বরাদ্দ! আদমদীঘিতে ১ কোটি টাকা হরিলুটের অভিযোগ, তদন্তের দাবি নেত্রকোণা পৌরসভায় প্রকল্পে সাশ্রয়ের নজির, সাশ্রয়ের ১ কোটি ৩৩ লাখ টাকার নতুন রাস্তা নির্মাণ, সরকারি কোষাগারে জমা ৫৯ লক্ষ কাতারে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত পাঁচ প্রবাসীর পরিবারে জমিয়ত সভাপতির আর্থিক সহায়তা বিতরণ

এফআইআরে নাম না থাকলেও নুসরাত হত্যা মামলায় সাজা খাটছেন অর্ধ যুগের বেশি. হাইকোর্টে ন্যায়বিচার চান ভক্তভোগীর স্বজনরা.

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • Update Time : বৃহস্পতিবার, জুলাই ৩০, ২০২৬,
  • 14 Time View

 

এফআইআরে নাম না থাকলেও নুসরাত হত্যা মামলায় সাজা খাটছেন অর্ধ যুগের বেশি.
হাইকোর্টে ন্যায়বিচার চান ভক্তভোগীর স্বজনরা.

২০১৯ সালের ৬ই এপ্রিল ফেনীর সোনাগাজী ইসলামিয়া ফাজিল মাদ্রাসার ছাদের উপর ডেকে নিয়ে মাদ্রাসার ছাত্রী নুসরাত জাহান রাফির গায়ে আগুন ধরীয়ে দেওয়া হয়। এর নেতৃত্ব দেন মাদ্রাসার অধ্যক্ষ সিরাজউদ্দৌলার সাঙ্গপাঙ্গ ও দপ্তরী নুরুল আমিন। চিকিৎসারত অবস্থায় ঢাকা মেডিকেল কলেজের বার্ন ইউনিটে ১০ই এপ্রিল মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ে নুসরাত মারা যায়।এ ঘটনায় জড়িতদের আসামী করে নুসরাতের বড় ভাই মাহমুদুল হাসান নোমান, ফেনীর সোনাগাজী থানায় অধ্যক্ষ সিরাজউদ্দৌলা,নুরুল আমীন সহ কয়েকজনকে আসামী করে মামলা দায়ের করেন।
PBI ব্যাপক তদন্ত করে আসামিদের মধ্যে কাউকে কাউকে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ভাবে ১৬ জনকে আসামী করে চার্জ শিট দাখিল করে।নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইবুনালে সাক্ষ্য গ্রহন করার সময়ে মামলার বাদী মাহমুদুল হাসান বলেন রুহুল আমিন, মকসুদ আলম (মকসুদ), মোহাম্মদ শামীম,আবসার উদ্দীন এরা এই হত্যাকান্ডের সাথে জড়িত ছিলো না এবং নুসরাতের মা, ও ছোটভাই এই চারজনের সম্পর্কে আদালতে বলেন তারা এই ঘটনার সাথে জড়িত ছিলো না। তারপরে ও আদালত তাদেরকে মামলার রায়ে দোষী সাব্যস্ত করেন।
সোনাগাজীর জনৈক আরাফাত ইসলাম এর সাথে যোগাযোগ করে জানতে পারি ১৬৪ ধারার জবানবন্দির সময় মেজিস্ট্রেট এর সামনে এই চার জনের নাম উল্লেখ্য করা হয় নি। কিন্তু PBI এর প্রধান মনোজ কুমার কোনো এক অজ্ঞাত স্থান থেকে প্রোলুপ্ত হয়ে এই চার জনের নাম চার্জ শিটে অন্তর্ভুক্ত করেন। নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইবুনালের বিচারক প্রধান আসামী অধ্যক্ষ সিরাজউদ্দৌলাসহ ১৬ জনের বিরুদ্ধে ফাসির রায় প্রদান করেন। এখন মামলাটি মহামান্য হাইকোর্টে সাক্ষ্যগ্রহন চলছে।হাইকোর্টের মহামান্য বিচারপতি ভীষ্মদেব চক্রবর্তী ও বিচারপতি একে এক রাশেদুজ্জামান রাজা মামলাটি পরিচালনা করছেন।আদালতে রাষ্ট্রপক্ষের ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল সৈয়দ ইজাজ কবির ও সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল মোছা. রোহানী সিদ্দীকা শুনানিতে অংশ নেন। উপস্থিত ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মোহাম্মদ ইমাম হোসেন তারেক।
আসামী ১৬ জনের মধ্যে রুহুল আমিন, মকসুদ আলম (মকসুদ), মোহাম্মদ শামীম,আবসার উদ্দীন উক্ত চারজন সহ নিরপরাধ ব্যাক্তিদের ব্যাপারে মহামান্য হাইকোর্টের কাছে ন্যায়বিচার প্রার্থনা করেন।
মহামান্য হাইকোর্ট জেনো সত্যিকারে সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে নির্দোষীদের এই মামলা থেকে খালাস দেন আর যারা প্রকৃতি আসামী তাদের ফাসির রায় কার্যকর করেন।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © 2026 dailyainerkantho কারিগরি সহযোগিতায়ঃ BDITWork.com