1. dailyainerkantho@gmail.com : admin :
জি নেগেটিভ রক্তের গ্রুপ ও রহস্যময় এক নারী - dailyainerkantho
৭ই অক্টোবর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ| ২২শে আশ্বিন, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ| শরৎকাল| বুধবার| রাত ৯:৪৮|
শিরোনামঃ
শহীদ আবরার ফাহাদ-আধিপত্যবাদ বিরোধী চেতনার অমর প্রতীক : আতিকুর রহমান কামালী ’শুদ্ধ জন্ম-মৃত্যু নিবন্ধনে অর্জিত বিশেষ সম্মাননা রাজশাহী মহানগরবাসীকে উৎসর্গ করলেন রাসিক প্রশাসক শারদীয় দুর্গাপূজায় সার্বিক নিরাপত্তা সকলের সহযোগিতা কামনা করেছেন পূজা উদযাপন ফ্রন্ট। প্রভাবশালীর দখলে যাচ্ছে প্রাইম ইসলামী লাইফ ইন্সুরেন্স এর ৩৮১.৭৫ শতাংশ জমি? 0xf3bec429 ইত্তেফাকুল উলামার বারহাট্টা উপজেলার সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত শাইখুল হাদিস মুফতি ফেরদাউস আহমদ ডহরপুরী উদ্যোক্তা ইবিয়ান, আইইএলটিএস করার সুযোগ পাচ্ছে শিক্ষার্থীরা রাজশাহীতে সাংবাদিকদের মানববন্ধন: অপপ্রচার ও ভুয়া সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থার দাবি ১০ম গ্রেড প্রদান, শূন্য পদে দ্রুত নিয়োগ ও পদোন্নতির সহযোগিতায় এম-ট্যাবের পাশে আছি- ডাঃ ফরহাদ হালিম ডোনার নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ে Pathways to Higher Education in Foreign Countries শীর্ষক কর্মশালা অনুষ্ঠিত

জি নেগেটিভ রক্তের গ্রুপ ও রহস্যময় এক নারী

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • Update Time : রবিবার, জুলাই ৬, ২০২৫,
  • 143 Time View

লেখা: আব্দুল্লাহ আবু সাঈদ

ঠিকই শুনেছেন। A, B, AB কিংবা O গ্রুপ নয়, G নেগেটিভ রক্তের গ্রুপের কথা বলছি! আমাদের রক্তে লোহিত কণিকার গায়ে অদ্ভুত এক জিনিস লেগে থাকে। এর নাম অ্যান্টিজেন। অ্যান্টিজেনের ধরন অনুযায়ী আমাদের রক্তের গ্রুপের নামকরণ করা হয়। যার লোহিত কণিকায় A অ্যান্টিজেন রয়েছে, তার রক্তের গ্রুপ A; যার B অ্যান্টিজেন আছে, তার রক্তের গ্রুপ B। আর যার কোনোটাই নেই, তার রক্তের গ্রুপ O।

এখন প্রশ্ন হতে পারে, রক্তের গ্রুপে ‘পজিটিভ’ ও ‘নেগেটিভ’ দিয়ে আসলে কী বোঝায়? মূলত রক্তকণিকায় রেসাস অ্যান্টিজেন নামে আরও একধরনের অ্যান্টিজেন থাকে। সহজভাবে বললে, যার দেহে রেসাস অ্যান্টিজেন আছে, তিনি হবেন পজিটিভ গ্রুপের রক্তধারী। আর যার রক্তে এটা নেই, তিনি নেগেটিভ গ্রুপের। রক্তের গ্রুপিংয়ের সবচেয়ে জনপ্রিয় এই দুটি পদ্ধতি যথাক্রমে এবিও (ABO) এবং আরএইচ(Rh) পদ্ধতি নামে পরিচিত। অস্ট্রিয়ার চিকিৎসক কার্ল ল্যান্ড স্টেইনার ১৯০১ সালে এবিও পদ্ধতি উদ্ভাবন করেন।

আমাদের রক্তে লোহিত কণিকার গায়ে অদ্ভুত এক জিনিস লেগে থাকে। এর নাম অ্যান্টিজেনপ্রতীকী ছবি। রয়টার্স

তবে রক্তকণিকায় কিন্তু শুধু এই দুই ধরনের অ্যান্টিজেন নেই। আমাদের রক্তকণিকায় প্রায় ৬০০ রকম অ্যান্টিজেন আছে। সেগুলো আবার একে অপরের সঙ্গে মিলে তাত্ত্বিকভাবে প্রায় লাখের বেশি রক্তের গ্রুপ তৈরি করতে পারে। কিন্তু এখন পর্যন্ত ইন্টারন্যাশনাল সোসাইটি ফর ব্লাড ট্রান্সফিউশন ৪৮ ধরনের গ্রুপিং পদ্ধতির স্বীকৃতি দিয়েছে। কেল, কিড, ডাফি, এমএনএস নামে আরও নানা পদ্ধতিতে রক্তের গ্রুপ নির্ণয় করা হয়। এই তালিকার সর্বশেষ ৪৮তম সদস্য হলো জি নেগেটিভ গ্রুপ।

২০১১ সালে ক্যারিবীয় দ্বীপ গুয়াদেলুপ থেকে আসা এক ফরাসি নারী তাঁর অপারেশনের আগে দরকারি কিছু পরীক্ষা-নিরীক্ষার জন্য হাসপাতালে ভর্তি হন। কিন্তু কোনোভাবে তাঁর রক্তের গ্রুপকে আমাদের চিরচেনা ABO গ্রুপের গণ্ডির মধ্যে আবদ্ধ করা যায়নি! এ যেন এক নতুন ধাঁধা। পরে ২০১৯ সালে জিন সিকোয়েন্সিং করে প্রমাণ মিলল মিউটেশনের। PIGZ জিনে মিউটেশনের কারণে তাঁর রক্তের গ্রুপ আর সবার চেয়ে আলাদা। বাবা ও মা উভয়ের কাছ থেকেই এই জিন পেয়েছেন তিনি।

গুয়াদেলুপ অঞ্চলের আরেক নাম গুয়াডা। সম্পূর্ণ ভিন্নধর্মী এই রক্তের গ্রুপের নাম তাই দেওয়া হয়েছে গুয়াডা নেগেটিভ বা জি নেগেটিভ! পৃথিবীতে সম্ভবত তিনিই একমাত্র নারী, যার রক্তের দরকার পড়লে নিজের রক্ত ছাড়া অন্য কারো রক্ত নিতে পারবেন না!

লেখক: শিক্ষার্থী, রাজশাহী মেডিকেল কলেজ, রাজশাহী

সূত্র: লাইভ সায়েন্স ও পপুলার মেকানিক্স

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © 2026 dailyainerkantho কারিগরি সহযোগিতায়ঃ BDITWork.com