1. dailyainerkantho@gmail.com : admin :
মালয়েশিয়ার পতিতালয় থেকে ১০ বাংলাদেশি নারী উদ্ধার - dailyainerkantho
৮ই অক্টোবর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ| ২৩শে আশ্বিন, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ| শরৎকাল| বৃহস্পতিবার| সন্ধ্যা ৭:০০|
শিরোনামঃ
বিশ্বের শীর্ষে ২ শতাংশ বিজ্ঞানীর তালিকায় ইবির ৬ গবেষক বগুড়ায় দুই শিশুকে ধর্ষণের মামলায় আসামির ৬০ বছরের কারাদণ্ড!! তামাকজনিত অকালমৃত্যু রোধ ও এসডিজি লক্ষ্য অর্জনে কার্যকর আইন বাস্তবায়নে বিধিমালা প্রণয়নের তাগিদ আইএনজিও ফোরাম অন আই হেলথ ইন বাংলাদেশ ও এনআইওএইচ এর যৌথ উদ্যোগে বিশ্ব দৃষ্টি দিবস ২০২৬ উদযাপন ঠাকুরগাঁও-১ আসনে প্রতীক পেলেন ৫ প্রার্থী ৪ হাজার টাকার ভাড়া বাসায় থাকেন সাবেক এমপিকন্যা অথচ বাবার রয়েছে ১৮টি ফ্ল্যাট ও বিশাল সম্পত্তি পোশাক শ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি ৩০,০০০ টাকা নির্ধারণসহ যেসব দাবি জানায় সম্মিলিত গার্মেন্টস শ্রমিক ফেডারেশন হাকিমপুর পৌর যুবদলের সদস্য সচিব বহিষ্কার চা কে শিল্প খাত থেকে কৃষি খাতে রূপান্তরের ফলে চা শ্রমিকের আইনি মর্যাদা ও অধিকার রোহিত হবে- পঙ্কজ কন্দ শহীদ আবরার ফাহাদ-আধিপত্যবাদ বিরোধী চেতনার অমর প্রতীক : আতিকুর রহমান কামালী

মালয়েশিয়ার পতিতালয় থেকে ১০ বাংলাদেশি নারী উদ্ধার

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • Update Time : সোমবার, জুলাই ১৪, ২০২৫,
  • 152 Time View
মালয়েশিয়ার একটি পতিতাপল্লী থেকে বাংলাদেশি ১০ নারীকে উদ্ধার করেছে কুয়ালালামপুর ইমিগ্রেশন বিভাগ (জেআইএম)। একইসঙ্গে উদ্ধার করা হয়েছে আরও চার নারীকে। জেআইএম ধারণা করছে তারা জোরপূর্বক পতিতাবৃত্তির শিকার হয়েছেন।
জেআইএম কুয়ালালামপুরের পরিচালক ওয়ান মোহাম্মদ সৌপি ওয়ান ইউসুফ বলেন, গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে গত বুধবার (৯ জুলাই) দুপুর ১টা ১৫ মিনিটে অপ প্যান্টাস (এটিআইপি) অভিযান চালানো হয়, প্রাথমিক তদন্তে মানবপাচার বিষয়ক নির্দেশিকা (এনজিএইচটিআই ২.০) ব্যবহার করা হয়।

তিনি বলেন, ‘উদ্ধার করা ভুক্তভোগীদের বয়স ১৮ থেকে ৩৬ বছরের মধ্যে, যার মধ্যে ১০ জন বাংলাদেশি নারী, তিনজন ভারতীয় ও একজন ইন্দোনেশিয়ান।’

ভুক্তভোগীদের একজন দাবি করেছেন, সম্পর্ক ভেঙে যাওয়ার পর তার প্রেমিক তাকে ‘বিক্রি’ করে দিয়েছে। তারপর সেখানে তাকে পতিতাবৃত্তির জন্য বাধ্য করা হয়েছিল’- বলেন জেআইএমের এই কর্মকর্তা।

এক বিবৃতিতে মোহাম্মদ সৌপি ওয়ান ইউসুফ বলেন, ‘অভিযানের সময় বেশ কয়েকজন খদ্দের আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর উপস্থিতি টের পেয়ে পালানোর চেষ্টা করেছিল।’

তিনি জানান, ধারণা করা হচ্ছে পতিতালয়টি সকাল ১০টা থেকে রাত ১১টা পর্যন্ত খোলা থাকে এবং পথচারীদের খদ্দের হিসেবে টার্গেট করে।

এ ঘটনায় ২০০৭ সালের মানব পাচার ও অভিবাসী চোরাচালান বিরোধী আইনের ১২ ধারার অধীনে তদন্তে সহায়তা করার জন্য তিনজন স্থানীয় ব্যক্তিকে আটক করা হয়েছে। তাদের ওই ভবনের তত্ত্বাবধায়ক বলে ধারণা করা হচ্ছে।

জেআইএমের বিবৃতিতে জানানো হয়, অভিযানে সেখানে থাকা ১৬ জন পুরুষ খদ্দেরকেও আটক করা হয়েছে, যাদের মধ্যে ৯ জন নেপালি, দুইজন বাংলাদেশি এবং পাঁচজন মিয়ানমারের নাগরিক রয়েছেন।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © 2026 dailyainerkantho কারিগরি সহযোগিতায়ঃ BDITWork.com