
তিনি বলেন, ‘উদ্ধার করা ভুক্তভোগীদের বয়স ১৮ থেকে ৩৬ বছরের মধ্যে, যার মধ্যে ১০ জন বাংলাদেশি নারী, তিনজন ভারতীয় ও একজন ইন্দোনেশিয়ান।’
ভুক্তভোগীদের একজন দাবি করেছেন, সম্পর্ক ভেঙে যাওয়ার পর তার প্রেমিক তাকে ‘বিক্রি’ করে দিয়েছে। তারপর সেখানে তাকে পতিতাবৃত্তির জন্য বাধ্য করা হয়েছিল’- বলেন জেআইএমের এই কর্মকর্তা।
তিনি জানান, ধারণা করা হচ্ছে পতিতালয়টি সকাল ১০টা থেকে রাত ১১টা পর্যন্ত খোলা থাকে এবং পথচারীদের খদ্দের হিসেবে টার্গেট করে।
এ ঘটনায় ২০০৭ সালের মানব পাচার ও অভিবাসী চোরাচালান বিরোধী আইনের ১২ ধারার অধীনে তদন্তে সহায়তা করার জন্য তিনজন স্থানীয় ব্যক্তিকে আটক করা হয়েছে। তাদের ওই ভবনের তত্ত্বাবধায়ক বলে ধারণা করা হচ্ছে।
জেআইএমের বিবৃতিতে জানানো হয়, অভিযানে সেখানে থাকা ১৬ জন পুরুষ খদ্দেরকেও আটক করা হয়েছে, যাদের মধ্যে ৯ জন নেপালি, দুইজন বাংলাদেশি এবং পাঁচজন মিয়ানমারের নাগরিক রয়েছেন।