1. dailyainerkantho@gmail.com : admin :
মালয়েশিয়ার পতিতালয় থেকে ১০ বাংলাদেশি নারী উদ্ধার - dailyainerkantho
২৪শে অক্টোবর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ| ৮ই কার্তিক, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ| হেমন্তকাল| শনিবার| সকাল ৯:১১|
শিরোনামঃ
যুবদলের কেন্দ্রীয় সভাপতি-সাধারণ সম্পাদককে রাজশাহী মহানগর যুবদলের সম্মাননা স্মারক প্রদান অবৈধ বালু উত্তোলন বন্ধ, নদীতে হামলার সুষ্ঠু তদন্ত ও নিরাপত্তার দাবিতে জাতীয় প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন বাংলাদেশ সমতা পার্টির প্রতিবাদী সমাবেশ- সরকারের ব্যর্থতায় তেল গ্যাস বিদ্যুৎতের লাগামহীন উর্ধগতি দাম কমানোর আহবান ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচন: ব্যবসায়ী নেতাদের সঙ্গে মির্জা ফয়সল আমীনের মতবিনিময় সভা 0x4313e5d5 হরিণাকুণ্ডুতে দুর্গাপূজা উপলক্ষে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের মাঝে শাড়ি বিতরন। ​ঠাকুরগাঁওয়ে ধানের শীষের গণসংযোগ: প্রার্থীকে ফুলের মালা পরিয়ে বরণ করল দুই শিশু হরিপুর সীমান্তে ১৬৫ বোতল মদ উদ্ধার ২৯ অক্টোবর ভারতীয় হাইকমিশন ঘেরাওয়ের ঘোষণা এনআরসির “নিপীড়িত মানুষের পক্ষে লড়তে আইন পেশায় ফিরব” – ড. নয়ন বাঙালি

মালয়েশিয়ার পতিতালয় থেকে ১০ বাংলাদেশি নারী উদ্ধার

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • Update Time : সোমবার, জুলাই ১৪, ২০২৫,
  • 162 Time View
মালয়েশিয়ার একটি পতিতাপল্লী থেকে বাংলাদেশি ১০ নারীকে উদ্ধার করেছে কুয়ালালামপুর ইমিগ্রেশন বিভাগ (জেআইএম)। একইসঙ্গে উদ্ধার করা হয়েছে আরও চার নারীকে। জেআইএম ধারণা করছে তারা জোরপূর্বক পতিতাবৃত্তির শিকার হয়েছেন।
জেআইএম কুয়ালালামপুরের পরিচালক ওয়ান মোহাম্মদ সৌপি ওয়ান ইউসুফ বলেন, গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে গত বুধবার (৯ জুলাই) দুপুর ১টা ১৫ মিনিটে অপ প্যান্টাস (এটিআইপি) অভিযান চালানো হয়, প্রাথমিক তদন্তে মানবপাচার বিষয়ক নির্দেশিকা (এনজিএইচটিআই ২.০) ব্যবহার করা হয়।

তিনি বলেন, ‘উদ্ধার করা ভুক্তভোগীদের বয়স ১৮ থেকে ৩৬ বছরের মধ্যে, যার মধ্যে ১০ জন বাংলাদেশি নারী, তিনজন ভারতীয় ও একজন ইন্দোনেশিয়ান।’

ভুক্তভোগীদের একজন দাবি করেছেন, সম্পর্ক ভেঙে যাওয়ার পর তার প্রেমিক তাকে ‘বিক্রি’ করে দিয়েছে। তারপর সেখানে তাকে পতিতাবৃত্তির জন্য বাধ্য করা হয়েছিল’- বলেন জেআইএমের এই কর্মকর্তা।

এক বিবৃতিতে মোহাম্মদ সৌপি ওয়ান ইউসুফ বলেন, ‘অভিযানের সময় বেশ কয়েকজন খদ্দের আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর উপস্থিতি টের পেয়ে পালানোর চেষ্টা করেছিল।’

তিনি জানান, ধারণা করা হচ্ছে পতিতালয়টি সকাল ১০টা থেকে রাত ১১টা পর্যন্ত খোলা থাকে এবং পথচারীদের খদ্দের হিসেবে টার্গেট করে।

এ ঘটনায় ২০০৭ সালের মানব পাচার ও অভিবাসী চোরাচালান বিরোধী আইনের ১২ ধারার অধীনে তদন্তে সহায়তা করার জন্য তিনজন স্থানীয় ব্যক্তিকে আটক করা হয়েছে। তাদের ওই ভবনের তত্ত্বাবধায়ক বলে ধারণা করা হচ্ছে।

জেআইএমের বিবৃতিতে জানানো হয়, অভিযানে সেখানে থাকা ১৬ জন পুরুষ খদ্দেরকেও আটক করা হয়েছে, যাদের মধ্যে ৯ জন নেপালি, দুইজন বাংলাদেশি এবং পাঁচজন মিয়ানমারের নাগরিক রয়েছেন।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © 2026 dailyainerkantho কারিগরি সহযোগিতায়ঃ BDITWork.com