1. dailyainerkantho@gmail.com : admin :
আদমদীঘিতে খাদ্য গুদামে অনিয়ম, প্রকল্পের চালে মিলল ভিন্ন জেলার ও নিম্নমানের!! - dailyainerkantho
১৭ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ| ২রা আশ্বিন, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ| শরৎকাল| বৃহস্পতিবার| রাত ৯:৪২|
শিরোনামঃ
মাধবপুরে সরকারি চাল পাচারের অভিযোগ, শাহপুর বাজারে চালভর্তি পিকআপ আটক ঝলম (দঃ) ইউনিয়নে বিএনপির মনোনয়ন প্রত্যাশী আবুল বাসারের শোডাউন ও গণসংযোগ পঞ্চগড়ে মসজিদের ইমাম নারীসহ স্থানীয় দের হাতে আটক, পরে পুলিশের কাছে সোপর্দ। তেঁতুলিয়ায় বাংলাবান্ধা মহাসড়কে অবরোধ প্রশাসনের মিথ্যে মামলার অভিযোগ তেঁতুলিয়ায় মসজিদের আলেমকে রশি দিয়ে বেধে রেখে মারধর ও অপমানের প্রতিবাদে মানববন্ধন ইবিতে প্রধানমন্ত্রীর আগমন উপলক্ষে প্রস্তুতি কমিটি হারানো বিজ্ঞপ্তি। ধুলিপাড়া গ্রামের আমাদের প্রিয় মতিয়ার ভায়ের ছেলে শহীদ (১৪) হারিয়ে গিয়েছেন৷ ছেলেটা পান্টি মাদ্রাসায় পড়তো, গত শুক্রবার সকাল ৮ টার পর থেকে ছেলেটিকে পাওয়া যাচ্ছে না। মতিয়ার ভাইসহ আত্মীয়স্বজনেরা কুষ্টিয়া শহর, গ্রাম, পরিচিতদের বাড়িতে হন্যে হয়ে খুঁজে বেড়াচ্ছে আজ ৬ দিন । যদি কেউ ছেলেটির সন্ধান পান তাহলে যোগাযোগ করুন। মোবাইল: 01909422521 ইবিতে শহীদ জিয়াউর রহমান হল ডিবেটিং সোসাইটি’র নবীনবরণ ও বিতর্ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত চেয়ারম্যান প্রার্থী মঞ্জুর আলমের সমর্থনে বিশাল শোডাউন বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো’র সকল কার্যালয় শতভাগ ধূমপান ও তামাকজাত দ্রব্য ব্যবহারমুক্ত ঘোষণা

আদমদীঘিতে খাদ্য গুদামে অনিয়ম, প্রকল্পের চালে মিলল ভিন্ন জেলার ও নিম্নমানের!!

মিরু হাসান
  • Update Time : বৃহস্পতিবার, আগস্ট ২৭, ২০২৬,
  • 40 Time View

 

আদমদীঘিতে খাদ্য গুদামে অনিয়ম, প্রকল্পের চালে মিলল ভিন্ন জেলার ও নিম্নমানের!!

মিরু হাসান, বগুড়া প্রতিনিধিঃ
বগুড়ার আদমদীঘির নসরতপুর এলএসডি (লোকাল স্টোরেজ ডিপো) খাদ্য গুদামে চাল সংগ্রহ, মজুত ও সরকারি প্রকল্পে সরবরাহ নিয়ে অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগ রয়েছে, সরকারি বিধি ও খাদ্য বিভাগের প্রচলিত নিয়ম ভেঙে উপজেলার বাইরে দিনাজপুরের পুলহাট, বগুড়ার শেরপুরসহ বিভিন্ন এলাকার চালকলের চাল নসরতপুর এলএসডিতে সংগ্রহ ও মজুত করা হয়েছে। এমনকি আদমদীঘি উপজেলা পুষ্টি চাউল কর্মসূচির আওতাভুক্ত না হলেও সরকারি খাদ্য সহায়তার চালের সঙ্গে ‘পুষ্টি চাউল’ লেখা বস্তাও সরবরাহ করা হয়েছে বিষয়টি নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে নানা সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে।

জানা যায়, নারী ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের ভালনারেবল উইমেন বেনিফিট (ভিডব্লিউবি) প্রকল্পের আওতায় উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নের তালিকাভুক্ত হতদরিদ্র নারীদের প্রতি মাসে বিনামূল্যে ৩০ কেজি করে চাল দেওয়া হয়। এরই ধারাবাহিকতায় গত ২৪ আগস্ট আদমদীঘি উপজেলার কুন্দুগ্রাম ইউনিয়নের তালিকাভুক্ত সুবিধাভোগী নারীদের মধ্যে প্রকল্পের চাল বিতরণ করা হয়।

সরেজমিনে কুন্দুগ্রাম ইউনিয়নে চাল বিতরণের সময় দেখা যায়, বিতরণ করা চালের কয়েকটি বস্তায় থাকা টেনসিলে দিনাজপুরের পুলহাট এলাকার ইনশাআল্লাহ অটো রাইস মিল, বগুড়ার শেরপুরের উদয়ন অটো রাইস মিল এবং ঠিকানাবিহীন মদিনা অটো রাইস মিল (প্রোপ্রাইটর আব্দুল হাকিম) এর নাম রয়েছে। আবার কোনো কোনো বস্তায় ‘পুষ্টি চাউল’ লেখা টেনসিলও দেখা যায়। ‘পুষ্টি চাউল’ লেখা কয়েকটি বস্তার নিচে একাধিক অস্পষ্ট টেনসিল থাকায় চালগুলো কোথাকার এবং কোন মিল থেকে সংগ্রহ করা হয়েছে তা স্পষ্টভাবে শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি।

বিতরণ করা চাল কোন খাদ্য গুদাম থেকে উত্তোলন করা হয়েছে জানতে চাইলে কুন্দুগ্রাম ইউনিয়নের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের প্রতিনিধি সাইফুল ইসলাম জানান, বরাবরের মতো নসরতপুর এলএসডি থেকেই চাল উত্তোলন করা হয়েছে। অন্যদিকে, সুবিধাভোগীদের গত আমন মৌসুমে সংগ্রহ করা চাল বরাদ্দ দেওয়ার কথা থাকলেও বিতরণ করা চালের বস্তায় ‘বোরো/২০২৫’ লেখা টেনসিল পাওয়া গেছে। ফলে বরাদ্দকৃত চালের সঙ্গে সরবরাহ করা চালের সামঞ্জস্য নিয়েও প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।

বিতরণ করা চালের মান নিয়েও অভিযোগ রয়েছে। স্থানীয়ভাবে দেখা যায়, উপজেলার সান্তাহারের বুশরা গ্রুপের চালের বস্তাগুলোর চাল তুলনামূলক ভালো মানের হলেও অন্যান্য কয়েকটি মিলের চাল নিম্নমানের বলে অভিযোগ করেন সুবিধাভোগীরা।

সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো আদমদীঘি উপজেলা পুষ্টি চাউল কর্মসূচির আওতাভুক্ত নয়। অথচ নসরতপুর এলএসডি থেকে সরবরাহ করা চালের মধ্যে ‘পুষ্টি চাউল’ লেখা বস্তা পাওয়ায় বিষয়টি নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে।

খাদ্য বিভাগের সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, আদমদীঘি উপজেলার সদর ও নসরতপুর এলএসডিতে সাধারণ নিয়ম অনুযায়ী উপজেলার অভ্যন্তরে অবস্থিত অটো, সেমি-অটো ও হাসকিং চালকল থেকে চাল সংগ্রহ ও মজুত করার কথা। সে ক্ষেত্রে দিনাজপুরের পুলহাট, বগুড়ার শেরপুর কিংবা অন্যান্য এলাকার চালকলের চাল কীভাবে নসরতপুর এলএসডিতে সংগ্রহ ও মজুত করা হলো এ প্রশ্নই এখন সামনে এসেছে।

এ বিষয়ে বক্তব্য জানতে নসরতপুর এলএসডিতে গিয়ে ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মাসুমা আফরিনকে পাওয়া যায়নি। পরদিন মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, তাঁর অসুস্থ স্বামীর চিকিৎসার জন্য তিনি ঢাকায় অবস্থান করছেন। এরপর তিনি ফোনের সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেন।

এ বিষয়ে আদমদীঘি উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক খন্দকার আবুল বাশারের সঙ্গে মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, এমনটা তো হওয়ার কথা না। বিষয়টি নিয়ে তদন্ত করা হবে।##

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © 2026 dailyainerkantho কারিগরি সহযোগিতায়ঃ BDITWork.com