1. dailyainerkantho@gmail.com : admin :
নবায়নযোগ্য জ্বালানীতে জরুরী বিনিয়োগ বাড়িয়ে জ্বালানী নিরাপত্তা নিশ্চিত করুন - dailyainerkantho
৯ই এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ| ২৬শে চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ| বসন্তকাল| বৃহস্পতিবার| বিকাল ৪:০২|
শিরোনামঃ
নবায়নযোগ্য জ্বালানীতে জরুরী বিনিয়োগ বাড়িয়ে জ্বালানী নিরাপত্তা নিশ্চিত করুন পঞ্চগড়ের আটোয়ারী ইজিবাইকের ধাক্কায় শিশুর মৃত্যু উস্কানীমূলক পোস্ট ঘিরে উত্তেজনার শঙ্কা, অভিযুক্ত চিকিৎসক ও তার ভাইয়ের বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ! বিশ্ব স্বাস্থ্য দিবস উপলক্ষে ন্যাশনাল ডক্টরস ফোরামের তাৎপর্যপূর্ণ সেমিনার অনুষ্ঠিত ১৮তম শিক্ষক নিবন্ধনে চূড়ান্তভাবে উত্তীর্ণদের আগে নিয়োগ দিন ইন্দ্রমোহন রাজবংশী স্মারক সম্মাননা প্রদান অনুষ্ঠান ২০২৬ অনুষ্ঠিত মাধবপুরে জমি বিরোধে সালিশ ভেঙে সংঘর্ষ, প্রাণ গেল এক বৃদ্ধের দুই প্রতিমন্ত্রীর পদচারণায় মুখরিত নজরুল বিশ্ববিদ্যালয় ক্ষুদ্রঋণকে ব্যাংকিং কাঠামোয় নিলে প্রতিষ্ঠান ও প্রান্তিক মানুষ ঝুঁকিতে পড়বে আজ নন্দিত লেখক জহুর কবিরের জন্মদিন

নবায়নযোগ্য জ্বালানীতে জরুরী বিনিয়োগ বাড়িয়ে জ্বালানী নিরাপত্তা নিশ্চিত করুন

সাইফুল আলম সরকার
  • Update Time : বৃহস্পতিবার, এপ্রিল ৯, ২০২৬,
  • 31 Time View

 

নবায়নযোগ্য জ্বালানীতে জরুরী বিনিয়োগ বাড়িয়ে জ্বালানী নিরাপত্তা নিশ্চিত করুন

মো: সাইফুল আলম সরকার, ঢাকা:   নবায়নযোগ্য জ্বালানীতে জরুরী বিনিয়োগ বাড়িয়ে জ্বালানী নিরাপত্তা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে আজ ৮ এপ্রিল ২০২৬ বুধবার জাতীয় প্রেসক্লাবের জহুর হোসেন চৌধুরী হলে এক গোলটেবিল বৈঠকে পরিবেশবিদ, গবেষক, বিশেষজ্ঞ ও সমাজকর্মিরা যুদ্ধের কারণে ঘনিভূত আমদানী নির্ভর জ্বালানী সংকট দ্রুত কাটিয়ে ওঠার জন্য জ্ররুরী ভিত্তিতে নবায়নযোগ্য জ্বালানী খাতে বিনিয়োগ বৃদ্ধি ও উৎসাহিত করার আহবান জানিয়েছেন।

গ্রীনওয়াচ নিউজ ম্যাগাজিন ও অনলাইন পেপারের উদ্যোগে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে বলা হয় সৌর-বিদ্যুৎ উৎপাদন সামগ্রী ও ব্যাটারির দাম আন্তর্জাতিক বাজারে আগের তুলনায় অর্ধেকে নেমে আসায় এখাতে বিনিয়োগ এখন বেশ লাভজনক। যুৎসই পদক্ষেপ নিলে বর্তমান সরকারের ২০৪০ সাল নাগাদ ৪০,০০০ মেগাওয়াট নবায়নযোগ্য বিদ্যুৎ উৎপাদন বৃদ্ধির লক্ষ্যমাত্রা ২০৩০ সালেই অর্জন সম্ভব বলে তারা মন্তব্য করেন।

উক্ত গোলঅটেবিল বৈঠকে প্রধান অতিথি ছিলেন জাহাংগীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক জসিম উদ্দিন আহমদ। প্রধান বক্তা ছিলেন গবেষণা প্রতিষ্ঠান চেঞ্জ ইনিসিয়েটিভের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা এম জাকির হোসেন খান। সভাপতিত্ব ও সঞ্চালনা করেন গ্রীনওয়াচ অনলাইন পত্রিকা সম্পাদক মোস্তফা কামাল মজুমদার।
বিশেষ অতিথি ছিলেন বিশিষ্ট ব্যবসায়ী আব্দুল হক, প্রতিবন্ধি মানুষের বিশ্ব সংগঠন ডিপিআই সভাপতি আব্দুস সাত্তার দুলাল, জাতীয় প্রেস ক্লাবের সভাপতি ও কালের কন্ঠের সম্পাদক কবি হাসান হাফিজ। বক্তব্য রাখেন ড নাজমা আহ্মেদ, মানবাধিকার কর্মি নূরুল হুদা চৌধুরী, ডিইউজের সাবেক সভাপতি এলাহী নেওয়াজ খান, বাংলাদেশ পোষ্ট সম্পাদক সদরুল হাসান, ব্যারিষ্টার মোস্তফা তাজ এবং পলিসি ডায়ালগ নেটওয়ার্কের মামুনুর রশিদ।

বর্তমানে বিদ্যুৎ ব্যবহারের শতকারা ৮৬ ভাগই আসে জীবাশ্ম জ্বালানী থেকে, যে কারণে বায়ু দূষণের মাত্রা বেশী। বায়ু দূষণের কারণে বাংলাদেশের মানুষের গড় আয়ু ৬-৭ বছর কমে যাচ্ছে। একারণে বছরে মৃত্যু হচ্ছে এক লাখের বেশী মানুষের। জীবাশ্ম জ্বালানীর মধ্যে ৪৬ ভাগ আসছে গ্যাস থেকে আস ২৮ ভাগ কয়লা থেকে।
জ্বালানীর জন্য বাংলাদেশ শতকরা ৫৬ ভাগ আমদানির উপর নির্ভরশীল। ২০২৪ সালে জ্বালানী আমদানির জন্য ব্যায় হয়েছে ২০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। গ্যাসের সরবরাহ কমে যাওয়ায় ২৩% বিদ্যুৎ কেন্দ্র বন্ধ হয়ে গেছে এবং শিল্প কারখানায় উৎপাদন নেমে এসেছে ধারণক্ষমতার শতকারা ৩০-৪০ ভাগে। জ্বালানী তেলের সংকটের কারণে সৃষ্ট পরিবহন ব্যয় বেড়ে যাওয়ায় নিত্য প্রয়োনীয় দ্রব্যের দাম বেড়ে যাবার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। কবে যুদ্ধ শেষ হবে কেউ বলতে পারছেনা।
কিন্তু যেখানে প্রতিবেশি দেশ ভারতে নবায়নযোগ্য জ্বালানী মোট জ্বালানীর ৫১ ভাগ, আর পাকিস্তান জরুরীভাবে এ খাতের যোগান বাড়িয়ে করেছে প্রায় ২৫ ভাগ, সেখানে বাংলাদেশে নবায়নযোগ্য জ্বালানীর অংশ মাত্র ৫ ভাগ। ভারত নাবায়নযোগ্য জ্বালানী খাতে ভর্তুকি দিচ্ছে।

চেঞ্জ ইনিসিয়েটিভের প্রধান নির্বাহী এম জাকির হোসেন খান বলেছেন, কার্বন ট্যাক্স ধার্জ করলে বছরে ১০,০০০ কোটি টাকা রাজস্ব আদায় হতে পারে। কার্বন ট্রেডিং-এর মাধ্যমে কিছু ফান্ড আসবে। সাথে সাথে উদ্ভাবনের মাধ্যমে ফান্ড গঠন, যেমন যাকাত, দান ইত্যাদি যথার্থভাবে সংগ্রহ করে এ খাতে বিনিয়োগ করা যেতে পারে। বেসরকারি ছোট উদ্যোক্তাদের এক্ষেত্রে উৎসাহিত করে জ্বালানী ক্ষেত্রে একটা বিপ্লব নিয়ে আসা যায়। তিনি নবায়নযোগ্য জ্বালানীতে দ্রুত উত্তরণের জন্য প্রধান মন্ত্রীর অধীনে একটা স্থায়ী কমিটি গঠন করে তার মাধ্যমে উন্নয়ন নজরদারী করার দাবী করেন।
বর্তমান ৭.৯ ট্রিলিয়ন টাকা বাজেটের শতকরা ২.৯ ভাগ বরাদ্ধ রয়েছে জ্বালানী খাতে। বাজেটে এ খাতের অংশ জরুরী ভিত্তিতে বাড়িয়ে, বাংলাদেশের জ্বালানী নিরাপত্তাকে আর অস্থিতিশীল আন্তর্জাতিক বাজারের উপর নির্ভরশীল না রেখে জ্বালানী সার্বভৌমত্ব অর্জন করা ছাড়া বাংলাদেশের গত্যান্তর নেই।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © 2025 dailyainerkantho