1. dailyainerkantho@gmail.com : admin :
উস্কানীমূলক পোস্ট ঘিরে উত্তেজনার শঙ্কা, অভিযুক্ত চিকিৎসক ও তার ভাইয়ের বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ! - dailyainerkantho
১৯শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ| ৪ঠা আশ্বিন, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ| শরৎকাল| শনিবার| ভোর ৫:২৩|
শিরোনামঃ
ইবি শিক্ষার্থীদের উদ্যোগে ফিলিস্তিনের উত্তর গাজায় ৫০০০ লিটার বিশুদ্ধ পানি বিতরণ শীর্ষ নেতাদের রায়ের প্রতিবাদে যুবলীগ নেতাসহ আটক ৪ মাধবপুরে সরকারি চাল পাচারের অভিযোগ, শাহপুর বাজারে চালভর্তি পিকআপ আটক ঝলম (দঃ) ইউনিয়নে বিএনপির মনোনয়ন প্রত্যাশী আবুল বাসারের শোডাউন ও গণসংযোগ পঞ্চগড়ে মসজিদের ইমাম নারীসহ স্থানীয় দের হাতে আটক, পরে পুলিশের কাছে সোপর্দ। তেঁতুলিয়ায় বাংলাবান্ধা মহাসড়কে অবরোধ প্রশাসনের মিথ্যে মামলার অভিযোগ তেঁতুলিয়ায় মসজিদের আলেমকে রশি দিয়ে বেধে রেখে মারধর ও অপমানের প্রতিবাদে মানববন্ধন ইবিতে প্রধানমন্ত্রীর আগমন উপলক্ষে প্রস্তুতি কমিটি হারানো বিজ্ঞপ্তি। ধুলিপাড়া গ্রামের আমাদের প্রিয় মতিয়ার ভায়ের ছেলে শহীদ (১৪) হারিয়ে গিয়েছেন৷ ছেলেটা পান্টি মাদ্রাসায় পড়তো, গত শুক্রবার সকাল ৮ টার পর থেকে ছেলেটিকে পাওয়া যাচ্ছে না। মতিয়ার ভাইসহ আত্মীয়স্বজনেরা কুষ্টিয়া শহর, গ্রাম, পরিচিতদের বাড়িতে হন্যে হয়ে খুঁজে বেড়াচ্ছে আজ ৬ দিন । যদি কেউ ছেলেটির সন্ধান পান তাহলে যোগাযোগ করুন। মোবাইল: 01909422521 ইবিতে শহীদ জিয়াউর রহমান হল ডিবেটিং সোসাইটি’র নবীনবরণ ও বিতর্ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত

উস্কানীমূলক পোস্ট ঘিরে উত্তেজনার শঙ্কা, অভিযুক্ত চিকিৎসক ও তার ভাইয়ের বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ!

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • Update Time : বুধবার, এপ্রিল ৮, ২০২৬,
  • 146 Time View

 

উস্কানীমূলক পোস্ট ঘিরে উত্তেজনার শঙ্কা, অভিযুক্ত চিকিৎসক ও তার ভাইয়ের বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ!

মুন্সিগঞ্জ প্রতিনিধি
মুন্সিগঞ্জের শিরাজদিখানে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেইসবুকে লাগাতার উস্কানীমূলক পোস্টের মাধ্যমে ধর্মীয় বিভেদ তৈরির চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে এক চিকিৎসকের বিরুদ্ধে। সে উপজেলার রশুনিয়া ইউনিয়নের সন্তোষপাড়া গ্রামের প্রয়াত শিক্ষক যাদব চন্দ্র ঘোষের ছেলে ও রশুনিয়া ৭ নম্বর ওয়ার্ড ইউপি সদস্য জয়ন্ত ঘোষের ছোট ভাই। স্থানীয়দের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে তিনি বিভিন্ন সময়ে মুসলিম ও হিন্দু সম্প্রদায়ের মধ্যে উত্তেজনা সৃষ্টির মতো পোস্ট করে আসছেন।

অভিযুক্ত ওই চিকিৎসকের নাম জগন্নাথ ঘোষ (তুর্জ)। সে বর্তমানে সে লন্ডনে অবস্থান করছে। স্থানীয় এলাকাবাসীর ভাষ্য অনুযায়ী, তার এসব কর্মকাণ্ডে স্থানীয় ভাবে সামাজিক সম্প্রীতি ব্যাহত হচ্ছে এবং সাধারণ মানুষের মধ্যে উদ্বেগ বাড়ছে।

বিষয়টি স্থানীয় লোকজন অবগত থাকলেও প্রভাবশালী একটি বিদেশী মহলের কারণে অনেকেই প্রকাশ্যে এ নিয়ে কথা বলতে নারাজ।

স্থানীয় সূত্রে আরও জানা যায়, প্রায় ৩ বছর আগে চিকিৎসক জগন্নাথ ঘোষ (তুর্জ)সহ তার আরো দুই সহযোগী বন্ধু থানা পুলিশের হাতে ইয়াবা ট্যাবলেটসহ আটক হন। পরে তার বাল্য বন্ধু মিন্টু নামে এক ব্যক্তিকে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দিয়ে জেলে পাঠানো হলেও তিনি তার বড় ভাই জয়ন্ত ঘোষসহ রাজনৈতিক নেতাকর্মীদের প্রভাব খাটিয়ে থানা থেকে মুক্তি পান বলে অভিযোগ রয়েছে।

জগন্নাথ ঘোষ তুর্জের বাল্যবন্ধু মিন্টু মুঠোফোনে বলেন, সে সময় মাদক কেনার টাকা দিয়েছিলো জগন্নাথ। আমি তার সাথে গিয়ে সেসহ আমি পুলিশের হাতে আটক হলে জয়ন্ত ঘোষ ও রাজনৈতিক নেতাকর্মীরা জগন্নাথকে ছাড়িয়ে নিয়ে যায় এবং আমাকে জেলে যেতে হয়। পরে অবশ্য সে আমার জামিনসহ আমাকে যেখানে যা লাগে সব দিয়েছে। যাক এগুলো বলে আর লাভ নেই। কারণ আমি জেলে খেটে ফেলেছি, এখনতো আর সেটা ফিরিতে দিতে পারবে না।।

এদিকে, জয়ন্ত ঘোষের ছোট ভাই জগন্নাথ ঘোষ তুর্জের উস্কানিমূলক পোষ্ট দেওয়ার বিষয়ে স্থানীয় সাংবাদিকরা রশুনিয়া ইউপি চেয়ারম্যান এডভোকেট আবু সাঈদকে একাধিক বার অবগত করেন।

স্থানীয়রা বলছেন, অভিযুক্ত ওই ডাক্তারসহ তার ভাইয়ের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া না হলে এলাকায় সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা করা হচ্ছে। বিষয়টি খতিয়ে দেখার জন্য তারা দ্রুত প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

গোপন একটি সূত্র জানায়, ডাক্তার জগন্নাথ ঘোষ (তুর্জ)সহ তার ভাই জয়ন্ত ঘোষ কট্টর হিন্দুত্ববাদী একটি সংগঠনের সদস্য। আর এ কারণে তিনি উস্কানিমূলক পোস্ট দিয়ে বিভিন্ন সময় ধর্মীয় বিভেদ তৈরির চেষ্টা চালান বলে অভিযোগ রয়েছে।

জগন্নাথের দেওয়া পোষ্টগুলো কৃত্তিম বুদ্ধিমত্তাকে দেওয়া হলে তার বিশ্লেষণেও পোষ্টগুলো উস্কানিমূলক হিসেবে বিবেচিত হয়!

এদিকে অভিযুক্ত চিকিৎসকের ভাই ইউপি সদস্য জয়ন্ত ঘোষের বিরুদ্ধেও অভিযোগের শেষ নেই। সম্প্রতি তার অন্যায় অপকর্মে বিরুদ্ধে একাধিক পত্রপত্রিকায় সংবাদ প্রকাশিত হয়।

অভিযুক্তের ভাই আওয়ামী লীগের দোসর জয়ন্তঘোষ বলেন, আমার ভাইয়ের অপকর্মের দায়ভার আমি নিবো না বলে বিষয়টি এড়িয়ে যান।

এবিষয়ে সিরাজদিখান থানার ওসি আব্দুল হান্নান বলেন, ধর্মীয় বিষয় খুবই সেনসিটিভ। অভিযোগ হলে আইনগত ব্যবস্থা নিবো। কোনো অপরাধীকে ছাড় দেওয়া হবে না।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © 2026 dailyainerkantho কারিগরি সহযোগিতায়ঃ BDITWork.com