1. dailyainerkantho@gmail.com : admin :
পবায় ​ভাতার কার্ডের নামে অর্থ হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ মহিলা ইউপি সদস্যের বিরুদ্ধে - dailyainerkantho
১লা আগস্ট, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ| ১৭ই শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ| বর্ষাকাল| শনিবার| রাত ২:৪১|
শিরোনামঃ
জুলাই অভ্যুত্থানের একমাত্র মাস্টারমাইন্ড মহান আল্লাহ,ইনসাফ গার্ডের সভাপতি খান রায়হান রাজশাহীতে সাংবাদিক সম্রাটকে কুপিয়ে জখম, অবস্থা আশঙ্কাজনক সান্তাহারে ভেজাল আইসক্রিম কারখানায় অভিযানে ১০ লক্ষ টাকার মালামাল জব্দ, গোডাউন সিলগালা এফআইআরে নাম না থাকলেও নুসরাত হত্যা মামলায় সাজা খাটছেন অর্ধ যুগের বেশি. হাইকোর্টে ন্যায়বিচার চান ভক্তভোগীর স্বজনরা. হরিণাকুণ্ডু উপজেলা আইন-শৃঙ্খলা কমিটির মাসিক সভা অনুষ্ঠিত: স্কাউটিং কে গতিশীল করতে আমি সর্বাত্মক সহযোগিতা করবো- গাজালা পারভীন রুহী বগুড়ায় ডিবি পুলিশের অভিযানে ২ হাজার ট্যাপেন্টারডল ট্যাবলেট উদ্ধার, তিনজন গ্রেপ্তার!! আদমদীঘি থানা পুলিশের বিশেষ অভিযানে নারী সহ গ্রেপ্তার-৮!! নেত্রকোণা ইউনিয়ন পর্যায়ে জনপ্রিয়তার শীর্ষে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মজিবুর রহমান ধর্মপাশা জয়শ্রী ইউনিয়নে আলোচনার তুঙ্গে কারানির্যাতিত যুবদল নেতা আবুল বাশার

পবায় ​ভাতার কার্ডের নামে অর্থ হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ মহিলা ইউপি সদস্যের বিরুদ্ধে

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • Update Time : মঙ্গলবার, জুলাই ২১, ২০২৬,
  • 28 Time View

 

পবায় ​ভাতার কার্ডের নামে অর্থ হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ মহিলা ইউপি সদস্যের বিরুদ্ধে

রাজশাহী প্রতিনিধি :

​রাজশাহীর পবা উপজেলার ৫ নম্বর হড়গ্রাম ইউনিয়ন পরিষদের সংরক্ষিত (ওয়ার্ড ৭, ৮ ও ৯) মহিলা সদস্য মোছা. রুপালি পারভীনের বিরুদ্ধে প্রতিবন্ধী ভাতার কার্ড করে দেওয়ার নামে অর্থ আদায়ের অভিযোগ উঠেছে।

একাধিক ভুক্তভোগী পরিবারের দাবি, সরকারি ভাতার কার্ড করে দেওয়ার আশ্বাস দিয়ে তাঁদের কাছ থেকে মোটা অঙ্কের টাকা নেওয়া হয়েছে।

​ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, জনপ্রতি ৫ থেকে ৭ হাজার টাকা করে নেওয়া হলেও এখন পর্যন্ত অনেকেই প্রতিশ্রুত সুবিধা পাননি। অথচ সরকারি নিয়ম অনুযায়ী প্রতিবন্ধী ভাতার কার্ড পাওয়ার জন্য কোনো ধরনের ফি বা অর্থ লেনদেনের বিধান নেই।

​ভুক্তভোগী হিরা ও আলিয়া বলেন, “আমি প্রতিবন্ধী। মেম্বার আমাকে বলেছেন কার্ড করতে টাকা লাগবে। তাঁর কথামতো আমি ৭ হাজার টাকা দিয়েছি। আমরা গরিব মানুষ, কিছু বুঝি না। পরে জানতে পারি সরকারিভাবে প্রতিবন্ধী কার্ড করতে কোনো টাকা লাগে না। আমাদের সঙ্গে প্রতারণা করা হয়েছে। আমরা এর সুষ্ঠু বিচার চাই।”

​স্থানীয় অধিবাসীদের অভিযোগ, অসহায় ও দরিদ্র পরিবারের সরলতার সুযোগ নিয়ে সরকারি সুযোগ-সুবিধা পাইয়ে দেওয়ার নামে অর্থ আদায় করা হচ্ছে। শুধু প্রতিবন্ধী ভাতা নয়, বিভিন্ন সরকারি ভাতা ও সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির সুবিধা পাইয়ে দেওয়ার আশ্বাসেও অনেকের কাছ থেকে টাকা নেওয়া হয়েছে।

স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী, এলাকায় টাকা ছাড়া কোনো কাজ হয় না। তারা এসব ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত করে দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান।

​তবে এসব অভিযোগ পুরোপুরি অস্বীকার করেছেন সংরক্ষিত মহিলা সদস্য মোছা. রুপালি পারভীন। তিনি বলেন, “আমি প্রায় ১০ বছর ধরে সংরক্ষিত মহিলা সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করছি। প্রতিবন্ধী কার্ড করে দেওয়ার নামে টাকা নেওয়ার অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন।”

​এ বিষয়ে বক্তব্য জানতে পবা উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা মোহাম্মদ হোসেন খানের মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

​বিষয়টি নিয়ে পবা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. ইবনুল আবেদীন জানান, “এ ধরনের কোনো লিখিত অভিযোগ এখনো পাইনি। লিখিত অভিযোগ পেলে বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

​ঘটনাটি নিয়ে এলাকায় ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে। ভুক্তভোগীরা প্রশাসনের দ্রুত হস্তক্ষেপ, নিরপেক্ষ তদন্ত এবং অভিযোগের সত্যতা প্রমাণিত হলে দায়ীদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জোরালো দাবি জানিয়েছেন।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © 2026 dailyainerkantho কারিগরি সহযোগিতায়ঃ BDITWork.com