1. dailyainerkantho@gmail.com : admin :
৫ বছর পর চেয়ারম্যান পদ ফিরে পলেন হজরত আলী - dailyainerkantho
১৬ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ| ১লা আশ্বিন, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ| শরৎকাল| বুধবার| রাত ২:০৮|
শিরোনামঃ
নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ে নবনির্মিত কবি নজরুল বিশ্ববিদ্যালয় স্কুল এন্ড কলেজ ভবনের উদ্বোধন ইবির উম্মুল মু’মিনীন আয়েশা সিদ্দিকা হল স্পোর্টস ক্লাবের নেতৃত্বে ফারহানা-আজমেরী শ্রেষ্ঠ ওসি নির্বাচিত হলেন মুসা মিয়া জমকালো আয়োজনে রাজশাহী বরেন্দ্র প্রেসক্লাবের ৫ম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপিত পঞ্চগড়ে নবম শ্রেণি শিক্ষার্থী ধর্ষন পর মৃত্যু এঘটনায় গ্রেপ্তার ২ ঠাকুরগাঁও-১ উপনির্বাচনে ফয়সল আমিনের মনোনয়নপত্র সংগ্রহ আমড়া বিক্রি করে জীবিকা ও পড়ার খরচ জুগিয়ে নজর কাড়ছে ধর্মপাশার দুই শিশু সম্পত্তি হস্তান্তর আইন সংশোধনী বিলে স্বাক্ষর না করতে রাষ্ট্রপতির প্রতি জমিয়তের আহ্বান নানা আয়োজনে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে রাজশাহী বরেন্দ্র প্রেসক্লাবের ৫ম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ইবির সাদ্দাম হলে অবৈধ শিক্ষার্থী অপসারণসহ চার দফা দাবিতে ছাত্রশিবিরের স্মারকলিপি

৫ বছর পর চেয়ারম্যান পদ ফিরে পলেন হজরত আলী

মশিউর রহমান
  • Update Time : বুধবার, সেপ্টেম্বর ৯, ২০২৬,
  • 35 Time View

 

৫ বছর পর চেয়ারম্যান পদ ফিরে পলেন হজরত আলী

মশিউর রহমান রাজশাহী : দীর্ঘ ৫ বছর আইনি লড়াই শেষে চেয়ারম্যান পদ ফিরে পেলেন গোদাগাড়ী উপজেলার ৫ নং গোগ্রাম ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হজরত আলী। গত ১১ নভেম্বর  ২০২১ সালের ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে ৫ নং গোগ্রাম ইউনিয়নে নৌকা প্রতিক নিয়ে মজিবর রহমান এবং আনারস প্রতিক নিয়ে স্বতন্ত্র প্রার্থী হজরত আলী চেয়ারম্যান নির্বাচনে অংশগ্রহণ করেন। এতে ১ টি  ভোটকেন্দ্র ফরাদপুর সবুজ সংঘ ও পাবলিক লাইব্রেরি কেন্দ্রে হজরত আলীকে পরাজিত করতে ষড়যন্ত্র শুরু করে তৎকালীন আওয়ামী লীগের এমপি ওমর ফারুক চৌধুরী ও উপজেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা মশিউর রহমান। প্রকৃত পক্ষে ঐ কেন্দ্রে হজরত আলী আনারস প্রতিক নিয়ে মোট ভোট পাই ১২৭০ ও মজিবর রহমান নৌকা প্রতিক নিয়ে মোট ভোট পাই ৬৩৫। পরে তৎকালীন আওয়ামী লীগ এমপি ও রিটার্নিং কর্মকর্তা ষড়যন্ত্র করে হজরত আলীকে আনারস প্রতিকে ১২৭০ ভোট এর স্থলে ৯৭০ ভোট এবং মজিবর রহমানকে নৌকা প্রতিকে ৬৩৫ ভোট এর স্থলে ৯৩৫ ভোট দেখিয়ে মজিবর রহমানকে ৮৭ ভোটে বিজয়ী ঘোষনা করে এবং গেজেট প্রকাশ হয় ৭ ডিসেম্বর ২০২১ তারিখে।

প্রকৃতপক্ষে হজরত আলী আনারস প্রতিক নিয়ে ৫১৪ ভোট বেশি পেয়ে বিজয়ী হলেও ক্ষমতার অপব্যবহার করে গোদাগাড়ী উপজেলার রিটার্নিং অফিসারের কার্যালয়ে ব্যালট বাক্স নিয়ে গিয়ে বিজয়ী ঘোষনা করা হয় নৌকা প্রতিকের মজিবর রহমানকে।

উল্লেখ, ৫ নং গোগ্রাম ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে ১০ টি কেন্দ্রে মোট ভোট পড়ে  ১৯০৮৮।  এতে হজরত আলী স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে আনারস প্রতিকে মোট ভোট পাই ৯৮০১,ও নৌকা প্রতিকে মজিবর রহমান মোট ভোট পাই ৯২৮৭ ।
এ ঘটনায় হাইকোর্টে একটি রিট পিটিশন করে স্বতন্ত্র প্রার্থী হজরত আলী। রিট পিটিশনের প্রেক্ষিতে রাজশাহী নির্বাচনী ট্রাইবুনালে মামলা করা হয়। এতে দীর্ঘ আইনি লড়ায়ের পরে আজ সদর সিনিয়র জজ আদালত ও নির্বাচনী ট্রাইবুনালে একটি ঐতিহাসিক রায় ঘোষণা করা হয়।
সংক্ষিপ্ত রায়ে উল্লেখ করা হয়, “দোতরফা সূত্রে ডিক্রি।
গোদাগাড়ী উপজেলার ৫নং গোগ্রাম ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদে ১নং প্রতিপক্ষ মোঃ মজিবুর রহমানকে বিজয়ী ঘোষণা সংক্রান্তে গত ৭ ডিসেম্বর ২০২১ তারিখের প্রকাশিত গেজেট বাতিল ঘোষণা করা হলো।অত্র মামলার দরখাস্তকারী মোঃ হজরত আলীকে ৫ নং গোগ্রাম ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হিসেবে ঘোষণা করা হলো। বিজ্ঞ আদালত অত্র আদেশের কপি নির্বাচন কমিশন বরাবর প্রেরণের আদেন দেন।”

আদালতের রায়ে খুশি হয়ে হজরত আলী চেয়ারম্যানের আইনজীবী আব্দুল হামিদ বলেন, ২০২১ সালের নির্বাচনে প্রার্থী ছিল ২ জন। যার মধ্যে স্বতন্ত্র প্রার্থী হজরত আলী ও দলীয় প্রার্থী মজিবর রহমান। সেই নির্বাচনে ষড়যন্ত্র করে মজিবর রহমানকে বিজয়ী ঘোষনা করা হয়।এতে সংক্ষুব্ধ হয়ে হজরত আলী নির্বাচনে কারচুপির অভিযোগ এনে আদালতে মামলা দায়ের করেন।এই মামলায় দীর্ঘ আইনী লড়াইয়ের পরে আজ সংক্ষিপ্ত রায় ঘোষণা করে আদালত। এতে হজরত আলীকে বিজয়ী ঘোষনা করা হয় এবং মজিবর রহমানের বিজয়ী গেজেট বাতিল করা হয়।

গোদাগাড়ী উপজেলা কৃষকদলের সদস্য সচিব আশরাফুজ্জামান মল্লিক বলেন, দীর্ঘ আইনী লড়াইয়ের মাধ্যমে ন্যায় বিচার প্রতিষ্ঠিত হওয়ায় আমরা সন্তুষ্ট।

হযরত আলী চেয়ারম্যান বলেন, আমি ২ বারের গোগ্রাম ইউনিয়নের চেয়ারম্যান। গত ২০২১ সালের ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে একটি কেন্দ্রে আমি ১২৭০ ভোট পাই ও মজিবর রহমান নৌকা প্রতিক নিয়ে মোট ভোট পাই ৬৩৫। পরে ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগ এমপি ও রিটার্নিং কর্মকর্তা ষড়যন্ত্র করে আমার আনারস প্রতিকের ১২৭০ ভোট এর স্থলে ৯৭০ ভোট দেখিয়ে এবং মজিবর রহমানকে নৌকা প্রতিকে ৬৩৫ ভোট এর স্থলে ৯৩৫ ভোট দেখিয়ে তাকে ৮৭ ভোটে বিজয়ী ঘোষনা করে। মধ্য রাতে জনগনের রায়কে পরিবর্তন করে তাকে বিজয়ী ঘোষনা করে ফ্যাসিস্ট সরকারের দোসররা।
তিনি আরও বলেন, আমি দীর্ঘ আইনী লড়াইয়ের মাধ্যমে আমার ন্যায্য অধিকার ফিরে পেয়েছি। জনগনের দেওয়া রায়ের প্রতিপলন ঘটিয়েছি।এই ঐতিহাসিক রায়ে আমি ও আমার জনগন অত্যান্ত খুশি হয়েছি।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © 2026 dailyainerkantho কারিগরি সহযোগিতায়ঃ BDITWork.com