1. dailyainerkantho@gmail.com : admin :
খেয়ালখুশি মতো অফিস করেন তেঁতুলিয়া  উপজেলা পল্লি উয়ন্নন বোড় বিআরডিবি কর্মকর্তা  - dailyainerkantho
১৩ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ| ২৯শে ভাদ্র, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ| শরৎকাল| রবিবার| রাত ১১:০৫|
শিরোনামঃ
খেয়ালখুশি মতো অফিস করেন তেঁতুলিয়া  উপজেলা পল্লি উয়ন্নন বোড় বিআরডিবি কর্মকর্তা  সান্তাহার বাফার গুদামে ময়লা-আবর্জনাসহ সার রিব্যাগিং, সরবরাহে ওজনেও কম!! পাবনা জেলা কল্যাণ সমিতির পক্ষ থেকে ইবি রেজিস্টারকে শুভেচ্ছা জিরার ট্রাক আটকে ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি, সাবেক ছাত্রদল নেতাসহ আটক ২ ‘শিক্ষার্থী নিয়ে উধাও’ হওয়ার খবর কাল্পনিক, সামাজিকভাবে হেয় করার চক্রান্ত: আইএইচটি শিক্ষক অসীম কুমার ধরা ও ওয়াটারকিপার্স এর নেতৃত্বে ‘নবায়নযোগ্য জ্বালানি, এখনই’ প্রচারাভিযানের উদ্বোধন তামাক নিয়ন্ত্রণ আইন বাস্তবায়নে দ্রুত বিধি প্রণয়নের দাবি: তাবিনাজ (তামাক বিরোধী নারী জোট) ধর্মপাশায় ফজলুল হক সেলবর্ষী স্মৃতি ফুটবল টুনামেন্টে – এমপি কামরুল ইবিতে শারীরিক শিক্ষা ও ক্রীড়া বিজ্ঞান বিভাগের আন্তঃসেশন ফুটবল ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত তেঁতুলিয়ায়  প্রেসক্লাবের নতুন কমিটি গঠন, সভাপতি সোহরাব আলী, সাধারণ সম্পাদক মোবারক হোসেন

খেয়ালখুশি মতো অফিস করেন তেঁতুলিয়া  উপজেলা পল্লি উয়ন্নন বোড় বিআরডিবি কর্মকর্তা 

খাদেমুল ইসলাম
  • Update Time : রবিবার, সেপ্টেম্বর ১৩, ২০২৬,
  • 11 Time View

 

খেয়ালখুশি মতো অফিস করেন তেঁতুলিয়া  উপজেলা পল্লি উয়ন্নন বোড় বিআরডিবি কর্মকর্তা

খাদেমুল ইসলাম
পঞ্চগড় জেলা প্রতিনিধি!

খেয়ালখুশি মতো অফিস করেন তেঁতুলিয়া  উপজেলা পল্লি উয়ন্নন বোড় বিআরডিবি কর্মকর্তা

আরমান ওয়াহিদ আনসারী দফতরে অনুপস্থিত তেঁতুলিয়া    উপজেলা পল্লী উয়ন্নন বোড কর্মকর্তার

বিরুদ্ধে তাঁর কার্যালয়ে খেয়ালখুশি  নিয়মিত দেরিতে আসা, আগেভাগে চলে যাওয়া এবং কর্মস্থলে প্রায়ই অনুপস্থিত থাকার অভিযোগ উঠেছে। অন্যদিকে অফিস সময় সকাল ৯টায় শুরু হলেও সাড়ে ১১টা পেরিয়ে গেলেও তাকে পাওয়া যায় না। এতে বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পের কাজ এবং সাধারণ মানুষের সেবা কার্যক্রম চরমভাবে ব্যাহত হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন সেবাপ্রার্থীরা।

 

সরেজমিনে দেখা যায়, রবিবার  (১৩ সেপ্টেম্বর  ) দুপুর সাড়ে ১২টা এবং বৃহস্পতিবার (১০  সেপ্টেম্বর ) সকাল সাড়ে ১০টায় উপজেলা কার্যালয়ে গিয়ে তাঁকে পাওয়া যায়নি। এ সময় তাঁর কক্ষ তালাবদ্ধ অবস্থায় দেখা যায়। উপস্থিত কার্যালয় কর্মচারীদের কাছে তাঁর অবস্থান জানতে চাইলে বলেন, সাহেব বাইরে আছেন। তবে, তিনি কোথায় আছেন কিংবা কখন কার্যালয়ে আসবেন, সে বিষয়ে সুনির্দিষ্ট তথ্য দিতে পারেন নি তারা।

 

সেবা নিতে আসা একাধিক ব্যক্তির অভিযোগ, উপজেলা পল্লী উয়ন্নন কর্মকর্তা প্রায়ই বেলা ১১টার পর আসেন এবং নির্ধারিত সময়ের আগেভাগেই অফিস ত্যাগ করেন। ফলে দূর-দূরান্ত থেকে আসা সাধারণ মানুষ ও বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সদস্য ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হয়। অনেক ক্ষেত্রে জরুরি ফাইলে স্বাক্ষর বা প্রয়োজনীয় পরামর্শ না পাওয়ায় কাজ বিলম্বিত হয় বলেও অভিযোগ করেন তারা।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক মাঠ কর্মী  বলেন, সাহেবের দেখা পাওয়া যেন ভাগ্যের বিষয়। যখনই আসি, শুনি তিনি ফিল্ডে অথবা মিটিংয়ে আছেন। কিন্তু সরকারি অফিসের নির্ধারিত সময়ে তাকে কক্ষে না পাওয়াটা এখন প্রায় নিয়মিত ঘটনায় পরিণত হয়েছে।

 

দ্বিতীয় শ্রেণির এক কর্মকর্তা  নাম প্রকাশ না করে বলেন,  তাঁর অনুপস্থিতির কারণে স্বাক্ষর হচ্ছে না স্থবির  হয়ে পড়েছে দপ্তরিক কাজ কর্ম তিনি মাসে ২/১ বার আসে হাজিরা খাতায় সহি স্বাক্ষর করে চলে যান।

 

জানতে চাইলে উপজেলা  আরমান ওয়াহিদ আবসারী বলেন, অনেকসময় ঊর্ধ্বতনদের নির্দেশে মিটিং এ থাকতে হয়।  এতে অনেকে সময়মতো হয়তো পায় না। আগামীকাল দেখা করতে বলেন।

পঞ্চগড় বাংলাদেশ পল্লী উন্নয়ন বোর্ড (বিআরডিবি), উপপরিচালক মোঃ এনামুল হক বলেন, বিষয়টি আপনাদের মাধ্যমে জেনেছি। কারণ খতিয়ে দেখে ঊর্ধ্বতনদের সাথে আলোচনা করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © 2026 dailyainerkantho কারিগরি সহযোগিতায়ঃ BDITWork.com