1. dailyainerkantho@gmail.com : admin :
স্ত্রী নাকফুল, চুড়ি না পরলে কি স্বামীর আয়ু কমে যায়? - dailyainerkantho
১৮ই এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ| ৫ই বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ| গ্রীষ্মকাল| শনিবার| রাত ৯:০৪|
শিরোনামঃ
‎বাংলাদেশবিরোধী মার্কিন বাণিজ্য চুক্তি বাতিলের দাবিতে সমাবেশ অনুষ্ঠিত প্রধানমন্ত্রী তারেক জিয়া কে নিয়ে (জাগপা) সহসভাপতি ও মুখপাত্র রাশেদ প্রধানের কটুক্তির প্রতিবাদে পঞ্চগড়ে বিক্ষোভ মিছিল পঞ্চগড়ের দুই মাদক কারবারীকে ৬ মাসের কারাদণ্ড তেঁতুলিয়ায় ডিসির মতবিনিময় সভায় সাংবাদিকদের ভিডিও বক্তব্য ও ছবি তুলতে নিষেধ করায় অনুষ্ঠান বর্জন অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিতে সাতক্ষীরার উন্নয়ন ও জনগণের প্রত্যাশা নিয়ে সংবাদ সম্মেলন কৃষক কার্ড বিতরণে রাজনৈতিক বিবেচনায় অনিয়মের কোনো সুযোগ নেই: আইনমন্ত্রী পঞ্চগড়ে কৃষক কার্ড উদ্ধোধন তেতুলিয়ায় বর্ণাঢ্য আয়োজনে পহেলা বৈশাখ উদযাপন বাংলাদেশ সেক্রেটারিয়েট সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশন, BSSA এর ঈদ পুনর্মিলনী গেট টুগেদার জাতীয় প্রেসক্লাবে অনুষ্ঠিত হয় থমকে আছে মোল্লাবাজার সেতুর কাজ: দ্রুত সমাপ্তির দাবিতে সিরাজদিখানে মানববন্ধন

স্ত্রী নাকফুল, চুড়ি না পরলে কি স্বামীর আয়ু কমে যায়?

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • Update Time : শনিবার, আগস্ট ২, ২০২৫,
  • 349 Time View

 

স্ত্রী নাকফুল, চুড়ি না পরলে কি স্বামীর আয়ু কমে যায়?

 

বিয়ের পর মেয়েরা চুড়ি, নাকফুল না পরলে অমঙ্গল হয়, স্বামীর ক্ষতি হয় বা আয়ু কমে যায় আমাদের সমাজে এ রকম ধারণা প্রচলিত আছে। তাই বিয়ের পরে স্ত্রীর সব সময় চুড়ি ও নাকফুল পরে থাকা বাধ্যতামূলক মনে করা হয়।

ইসলামের দৃষ্টিতে এ রকম ধারণা ভ্রান্ত, মনগড়া কুসংস্কার। কারো এ রকম বিশ্বাস থাকলে তা পরিত্যাগ করা আবশ্যক। আল্লাহ তায়ালা প্রত্যেকের আয়ু নির্দিষ্ট করে রেখেছেন। নির্ধারিত সময়ের আগে বা পরে কারো মৃত্যু হবে না।

আল্লাহ তাআলা বলেন, কোন প্রাণী আল্লাহর অনুমতি ছাড়া মারা যায় না, তা নির্দিষ্টভাবে লিখিত আছে। আর যে দুনিয়ার প্রতিদান চায়, আমি তা থেকে তাকে দিয়ে দেই, আর যে আখিরাতের বিনিময় চায়, আমি তা থেকে তাকেও দেই এবং আমি অচিরেই কৃতজ্ঞদের প্রতিদান দেব। (সুরা আলে ইমরান: ১৪৫)

আর ইসলামে চুড়ি বা নাকফুল পরা জরুরি না এবং না পরা গুনাহের কাজও নয়। তাই চুড়ি বা নাকফুল না পরার কারণে রিজিক বা আয়ুতে বরকত কবে যাওয়ারও কোনো কারণ নেই।

ইসলামে নারীদের জন্য চুড়ি, নাকফুল, কানের দুল, গলার হার বা চেইন ইত্যাদি অলঙ্কার পরিধান করা জায়েজ। আরবে জাহেলি যুগ থেকে নারীদের এ রকম অলঙ্কার পরার প্রচলন ছিল। ইসলামও এই প্রচলন অনুমোদন করেছে। নবিজি (সা.) নারীদের অলঙ্কার পরিধান করতে নিষেধ করেননি।

আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস (রা.) বর্ণনা করেন, নবিজি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এক ঈদের দিন বের হলেন এবং দুই রাকাত নামাজ পড়লেন। আগে-পরে কোনো নামাজ পড়লেন না। তারপর বেলালকে (রা.) সঙ্গে নিয়ে নারীদের কাছে গেলেন। তাদেরকে উপদেশবাণী শোনালেন এবং সদকা করতে উৎসাহ দিলেন। তখন নারীরা তাদের কানের দুল এবং হাতের চুড়ি খুলে দিতে লাগলেন। (সহিহ বুখারি: ১৪৩১)

এ হাদিস থেকে বোঝা যায় নারী সাহাবিরা কানে দুল ও হাতে চুড়ি পরতেন। নবিজি (সা.) তা অনুমোদন করেছেন। তাই এসব অলঙ্কার পরিধান করা নিষিদ্ধ নয়।

তবে ইসলামে নারীদের অলঙ্কার পরিধান করাকে আবশ্যক করা হয়নি। অলঙ্কার পরিধান করতে উৎসাহও দেয়া হয়নি, এটাকে ফজিলতপূর্ণ বা মুস্তাহাবও বলা হয়নি। নারীরা তাদের ইচ্ছা ও রুচি অনুযায়ী অলঙ্কার পরিধান করতে পারেন, নাও করতে পারেন। অলঙ্কার পরিধানের জন্য নাক-কান ফোঁড়াতে পারেন, নাও ফোঁড়াতে পারেন। এ ক্ষেত্রে নিষেধাজ্ঞা নেই, নির্দেশ বা উৎসাহও নেই।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © 2025 dailyainerkantho