1. dailyainerkantho@gmail.com : admin :
১০ বছর ধরে অকার্যকর সংযোগ সেতু, দুর্ভোগে হরষপুর–কাশিমনগরের মানুষ - dailyainerkantho
১৮ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ| ৩রা আশ্বিন, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ| শরৎকাল| শুক্রবার| সন্ধ্যা ৬:৩৬|
শিরোনামঃ
শীর্ষ নেতাদের রায়ের প্রতিবাদে যুবলীগ নেতাসহ আটক ৪ মাধবপুরে সরকারি চাল পাচারের অভিযোগ, শাহপুর বাজারে চালভর্তি পিকআপ আটক ঝলম (দঃ) ইউনিয়নে বিএনপির মনোনয়ন প্রত্যাশী আবুল বাসারের শোডাউন ও গণসংযোগ পঞ্চগড়ে মসজিদের ইমাম নারীসহ স্থানীয় দের হাতে আটক, পরে পুলিশের কাছে সোপর্দ। তেঁতুলিয়ায় বাংলাবান্ধা মহাসড়কে অবরোধ প্রশাসনের মিথ্যে মামলার অভিযোগ তেঁতুলিয়ায় মসজিদের আলেমকে রশি দিয়ে বেধে রেখে মারধর ও অপমানের প্রতিবাদে মানববন্ধন ইবিতে প্রধানমন্ত্রীর আগমন উপলক্ষে প্রস্তুতি কমিটি হারানো বিজ্ঞপ্তি। ধুলিপাড়া গ্রামের আমাদের প্রিয় মতিয়ার ভায়ের ছেলে শহীদ (১৪) হারিয়ে গিয়েছেন৷ ছেলেটা পান্টি মাদ্রাসায় পড়তো, গত শুক্রবার সকাল ৮ টার পর থেকে ছেলেটিকে পাওয়া যাচ্ছে না। মতিয়ার ভাইসহ আত্মীয়স্বজনেরা কুষ্টিয়া শহর, গ্রাম, পরিচিতদের বাড়িতে হন্যে হয়ে খুঁজে বেড়াচ্ছে আজ ৬ দিন । যদি কেউ ছেলেটির সন্ধান পান তাহলে যোগাযোগ করুন। মোবাইল: 01909422521 ইবিতে শহীদ জিয়াউর রহমান হল ডিবেটিং সোসাইটি’র নবীনবরণ ও বিতর্ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত চেয়ারম্যান প্রার্থী মঞ্জুর আলমের সমর্থনে বিশাল শোডাউন

১০ বছর ধরে অকার্যকর সংযোগ সেতু, দুর্ভোগে হরষপুর–কাশিমনগরের মানুষ

ইপাজ খাঁ
  • Update Time : বুধবার, জানুয়ারি ২৮, ২০২৬,
  • 200 Time View

 

১০ বছর ধরে অকার্যকর সংযোগ সেতু, দুর্ভোগে হরষপুর–কাশিমনগরের মানুষ

ইপাজ খাঁ | মাধবপুর (হবিগঞ্জ) প্রতিনিধি:
হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলার ২ নম্বর চৌমুহনী ইউনিয়নে একটি গুরুত্বপূর্ণ সংযোগ সেতু নির্মাণের প্রায় ১০ বছর পার হলেও আজ পর্যন্ত সেটি কোনো কাজে আসেনি। এই সেতু দিয়ে এখনো কোনো গাড়ি, মানুষ এমনকি গবাদিপশুও চলাচল করেনি। ফলে সেতুটি এলাকার মানুষের জন্য উপকারের বদলে দুর্ভোগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
হরষপুর রেলওয়ের ৩২ নম্বর ব্রিজের দুই পাশে প্রায় ৪ কিলোমিটার রাস্তা তৈরি করা হলেও হাসিনাবাদ–জামালপুর সংযোগ সেতুটি সংযোগ না থাকায় চলাচল বন্ধ রয়েছে। রেল ব্রিজের পাশেই থাকা এই কালভার্টটি আজও ব্যবহার করা যাচ্ছে না।
হরষপুর থেকে কাশিমনগর খুব কাছের এলাকা হলেও সেতু না থাকায় স্থানীয় মানুষকে ৪ কিলোমিটারের পথ যেতে ১০ থেকে ১৫ কিলোমিটার ঘুরে যেতে হয়। এতে সময় বেশি লাগে এবং অতিরিক্ত খরচও হচ্ছে।
বর্ষাকালে নালায় পানি বেড়ে গেলে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়। তখন অনেক মানুষ জীবনের ঝুঁকি নিয়ে রেল ব্রিজের ওপর কাঠের তক্তা চেপে পারাপার হন। প্রায় ১৫০ ফুট লম্বা এই ব্রিজ পার হতে একজন সুস্থ মানুষেরও ৮ থেকে ১০ মিনিট সময় লাগে। এ সময় হঠাৎ ট্রেন চলে এলে বড় ধরনের দুর্ঘটনার আশঙ্কা থাকে। দুর্বল মানুষদের পক্ষে এই পথ পার হওয়া প্রায় অসম্ভব।
স্থানীয়রা বলেন, তারা দীর্ঘদিন ধরে উন্নয়ন থেকে বঞ্চিত। ২০১০ সালে আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় আসার পর হরষপুর থেকে কাশিমনগর পর্যন্ত আধা-পাকা রাস্তা তৈরি হলেও সংযোগ সেতু না থাকায় সেই রাস্তার পুরো সুবিধা তারা পাচ্ছেন না।
এ বিষয়ে মাধবপুর উপজেলা প্রকৌশলী রেজাউন নবী বলেন,
“বিষয়টি আমাদের নজরে আছে। সেতুটি মেরামত করে চালু করার জন্য আমরা কাজ করছি।”
এলাকাবাসীর দাবি, দ্রুত সেতুটি চালু করা হলে দীর্ঘদিনের ভোগান্তি থেকে তারা মুক্তি পাবেন।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © 2026 dailyainerkantho কারিগরি সহযোগিতায়ঃ BDITWork.com