1. dailyainerkantho@gmail.com : admin :
আমড়া বিক্রি করে জীবিকা ও পড়ার খরচ জুগিয়ে নজর কাড়ছে ধর্মপাশার দুই শিশু - dailyainerkantho
১৫ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ| ৩১শে ভাদ্র, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ| শরৎকাল| মঙ্গলবার| বিকাল ৪:১৯|
শিরোনামঃ
ঠাকুরগাঁও-১ উপনির্বাচনে ফয়সল আমিনের মনোনয়নপত্র সংগ্রহ আমড়া বিক্রি করে জীবিকা ও পড়ার খরচ জুগিয়ে নজর কাড়ছে ধর্মপাশার দুই শিশু সম্পত্তি হস্তান্তর আইন সংশোধনী বিলে স্বাক্ষর না করতে রাষ্ট্রপতির প্রতি জমিয়তের আহ্বান নানা আয়োজনে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে রাজশাহী বরেন্দ্র প্রেসক্লাবের ৫ম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ইবির সাদ্দাম হলে অবৈধ শিক্ষার্থী অপসারণসহ চার দফা দাবিতে ছাত্রশিবিরের স্মারকলিপি সান্তাহারে প্রবাসীর স্ত্রীর সঙ্গে অনৈতিক কর্মকাণ্ডের অভিযোগে পুলিশের এএসআই ক্লোজ!! সুনামগঞ্জে সার্বিক আইন-শৃঙ্খলা, উন্নয়নমূলক সমন্বয় সভা তেঁতুলিয়ায় পৃথক অভিযানে ৫৮ বস্তা সার জব্দ ঠাকুরগাঁওয়ে রাণীশংকৈলে ২৬০ ইয়াবাসহ তিনজন গ্রেপ্তার ‘বিভেদ নয় ঐক্য’-মূলনীতিকে সামনে রেখে আনুষ্ঠানিকভাবে বাংলাদেশ মুসলিম-হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিস্টান ঐক্য ফোরামের আত্মপ্রকাশ

আমড়া বিক্রি করে জীবিকা ও পড়ার খরচ জুগিয়ে নজর কাড়ছে ধর্মপাশার দুই শিশু

সাইফ উল্ল্যাহ
  • Update Time : মঙ্গলবার, সেপ্টেম্বর ১৫, ২০২৬,
  • 10 Time View

 

আমড়া বিক্রি করে জীবিকা ও পড়ার খরচ জুগিয়ে নজর কাড়ছে ধর্মপাশার দুই শিশু

সাইফ উল্লাহ, নিজস্ব প্রতিবেদক::

​সুনামগঞ্জের ধর্মপাশা উপজেলার বাদশাগঞ্জ বাজার এলাকায় ১০ ও ১২ বছর বয়সী দুই শিশুর জীবনসংগ্রাম নজর কেড়েছে স্থানীয় বাসিন্দাদের। সেলবরষ ইউনিয়নের বীর উত্তর একই গ্রামের এই দুই শিশু একাধারে পড়াশোনা ও আমড়া বিক্রির মতো হাড়ভাঙা খাটুনি দিয়ে নিজেদের এবং পরিবারের অভাবের চাকা সচল রাখার চেষ্টা করছে।
​শিশুদের পরিচয়: সেলবরষ ইউনিয়নের মৃত সোনামিয়ার ছেলে রোমন মিয়া (১২) এবং একই গ্রামের কাছুমিয়ার ছেলে মাহির মিয়া (১০)।
​বর্তমানে তারা দুজনেই কচি বয়সে বাদশাগঞ্জ বাজার ও আশপাশের এলাকায় ঘুরে ঘুরে আমড়া বিক্রি করে। জীবন
​সংগ্রামে পিতৃহারা বা অসচ্ছল পরিবারের সন্তান হিসেবে তাদের ওপর খুব অল্প বয়সেই জীবন সংগ্রামের বোঝা চেপে বসেছে। দারিদ্র্যের নির্মম কষাঘাত সত্ত্বেও তারা পড়াশোনার প্রতি টান বজায় রাখার প্রাণপণ চেষ্টা চালাচ্ছে। আমড়া বিক্রি থেকে পাওয়া সামান্য আয় দিয়েই তারা তাদের শিক্ষার খরচ এবং সংসারের জরুরি চাহিদা মেটানোর চেষ্টা করে।
​স্থানীয় বাসিন্দাদের মতে, চরম দারিদ্র্যের কারণে বহু শিশু পড়াশোনা ছেড়ে দিতে বাধ্য হলেও রোমন ও মাহিরের এই পড়াশোনা চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা সত্যিই প্রশংসনীয়। তবে উপযুক্ত সরকারি বা বেসরকারি সহায়তা না পেলে এই শিশু দুটির ভবিষ্যৎ শিক্ষাজীবন কতটুকু টিকবে, তা নিয়ে অনিশ্চয়তা থেকে যায়। শিশুদের স্বাভাবিক বিকাশ ও শিক্ষার অধিকার নিশ্চিত করতে স্থানীয় প্রশাসন ও সমাজের বিত্তবানদের এগিয়ে আসা প্রয়োজন।##

সাইফ উল্লাহ
মোবা: ০১৭১২৪৫১৪৪৬
তারিখ: ১৫/৯/২৬

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © 2026 dailyainerkantho কারিগরি সহযোগিতায়ঃ BDITWork.com