1. dailyainerkantho@gmail.com : admin :
উদ্যোক্তাদের আশা বাঁচিয়ে রাখতে ‘জনতার বাজার–১’ বন্ধ করবেন না- সানোয়ারুল হক সনি - dailyainerkantho
১৫ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ| ৩১শে ভাদ্র, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ| শরৎকাল| মঙ্গলবার| রাত ২:২৪|
শিরোনামঃ
সম্পত্তি হস্তান্তর আইন সংশোধনী বিলে স্বাক্ষর না করতে রাষ্ট্রপতির প্রতি জমিয়তের আহ্বান নানা আয়োজনে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে রাজশাহী বরেন্দ্র প্রেসক্লাবের ৫ম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ইবির সাদ্দাম হলে অবৈধ শিক্ষার্থী অপসারণসহ চার দফা দাবিতে ছাত্রশিবিরের স্মারকলিপি সান্তাহারে প্রবাসীর স্ত্রীর সঙ্গে অনৈতিক কর্মকাণ্ডের অভিযোগে পুলিশের এএসআই ক্লোজ!! সুনামগঞ্জে সার্বিক আইন-শৃঙ্খলা, উন্নয়নমূলক সমন্বয় সভা তেঁতুলিয়ায় পৃথক অভিযানে ৫৮ বস্তা সার জব্দ ঠাকুরগাঁওয়ে রাণীশংকৈলে ২৬০ ইয়াবাসহ তিনজন গ্রেপ্তার ‘বিভেদ নয় ঐক্য’-মূলনীতিকে সামনে রেখে আনুষ্ঠানিকভাবে বাংলাদেশ মুসলিম-হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিস্টান ঐক্য ফোরামের আত্মপ্রকাশ দুই গ্রুপের সংঘর্ষে আহত ১৫ খেয়ালখুশি মতো অফিস করেন তেঁতুলিয়া  উপজেলা পল্লি উয়ন্নন বোড় বিআরডিবি কর্মকর্তা 

উদ্যোক্তাদের আশা বাঁচিয়ে রাখতে ‘জনতার বাজার–১’ বন্ধ করবেন না- সানোয়ারুল হক সনি

মো সাইফুল আলম সরকার
  • Update Time : শনিবার, সেপ্টেম্বর ৫, ২০২৬,
  • 37 Time View

 

উদ্যোক্তাদের আশা বাঁচিয়ে রাখতে ‘জনতার বাজার–১’ বন্ধ করবেন না- সানোয়ারুল হক সনি

মো: সাইফুল আলম সরকার, ঢাকা: মধ্যস্বত্বভোগীদের দৌরাত্ম্য কমিয়ে কৃষকের ন্যায্য মূল্য এবং ভোক্তার সাশ্রয় নিশ্চিত করার মূল লক্ষ্য নিয়ে মোহাম্মদপুরে ‘জনতার বাজার–১’ শুরু হলেও আজ তাতে তালা ঝুলছে। ‘জনতার বাজার–১’ বন্ধ করে দেয়ার প্রতিবাদ জানিয়ে সংবাদ সম্মেলন করে তরুণ উদ্যোক্তারা।

আজ ৫ই সেপ্টেম্বর ২০২৬ইং রাজধানী ঢাকায় রিপোর্টার্স ইউনিটিতে সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন সানোয়ারুল হক সনি এবং প্রশ্নের উত্তর দেন মো: বোরহান উদ্দিন। এই সময় তারা ১০ টি দাবি পেশ করেন। তারা বলেন, যে বিষয়ে মামলা বিচারাধীন রয়েছে, সে বিষয়ে আদালতের সিদ্ধান্ত না আসা পর্যন্ত সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোকে আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী Status Quo বজায় রাখতে দেওয়া হোক। আমাদের বিরুদ্ধে যদি কোনো অভিযোগ থাকে, আমরা তার জবাব দিতে প্রস্তুত। কিন্তু আদালতের আদেশ পাশ কাটিয়ে কোনো ব্যবস্থা গ্রহণ আমরা মেনে নিতে পারি না।

আমাদের অভিযোগ, পরবর্তী সময়ে বাজার পরিচালনার ক্ষেত্রে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে নীতিমালায় নির্ধারিত সহযোগিতা ও তদারকি যথাযথভাবে করা হয়নি। বাজারের রাস্তা, অবকাঠামো, নিরাপত্তা, আলো, স্লটার হাউস, সফটওয়্যারসহ বিভিন্ন বিষয়ে আমরা বারবার প্রশাসনকে লিখিত ও মৌখিকভাবে অবহিত করলেও কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।
নীতিমালা অনুযায়ী সংশ্লিষ্ট স্টেকহোল্ডারদের সঙ্গে নিয়মিত সভা এবং নির্দিষ্ট সময় অন্তর বাজার পরিদর্শনের কথা থাকলেও আমাদের অভিযোগ অনুযায়ী, দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তার পক্ষ থেকে তা যথাযথভাবে করা হয়নি।
আদালতের আদেশের পরও বাজারে তালা„ কিন্তু অত্যন্ত দুঃখজনক ও উদ্বেগজনক বিষয় হলো—আমাদের সঙ্গে চুক্তি বাতিল করে ১২ জুলাই ২০২৬ তারিখে টার্মিনেশন লেটার দেওয়া হয় এবং ২৫ তারিখের মধ্যে বাজারের সকল হিসাব ডিসি অফিসকে বুঝিয়ে দিতে বলা হয়। যা আমাদের অভিযোগ অনুযায়ী প্রকৃতপক্ষে পরবর্তী সময়ে ব্যাকডেটে ইস্যু দেখানো হয়েছে।

এর বিরুদ্ধে আমরা বাংলাদেশের সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগে রিট দায়ের করি। রিট পিটিশন নং ১১৪৭৫/২০২৬, Md. Borhan Uddin vs. Government of the People’s Republic of Bangladesh and others মামলায় মাননীয় হাইকোর্ট বিভাগের মহামান্য বিচারপতি Mr. Justice Razik-Al-Jalil এবং Mr. Justice Debasish Roy Chowdhury মহোদয়দ্বয়ের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ গত ১ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখে গুরুত্বপূর্ণ আদেশ প্রদান করেন।

মাননীয় আদালত জনতার বাজার–১, বেরিবাঁধ রোড, মোহাম্মদপুর, ঢাকা-এর possession ও position-এর বিষয়ে ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬ পর্যন্ত পক্ষগণকে Status Quo বজায় রাখার নির্দেশ দিয়েছেন। একই সঙ্গে মামলাটি প্রয়োজনীয় আদেশের জন্য ১৪ সেপ্টেম্বরের Cause List-এ উপস্থাপনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
আমরা আদালতের উক্ত আদেশের Certified Copy ঢাকা জেলা প্রশাসনের কাছে পৌঁছে দিয়েছি। এমনকি এর আগেই ২ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখে জেলা প্রশাসকের অবগতি ও সহযোগিতার জন্য Lawyers’ Certificate-এর কপিও পাঠানো হয়েছিল। তারপরও অত্যন্ত বিস্ময়করভাবে, ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬ সকাল আনুমানিক ১০টার দিকে উদ্যোক্তাদের অনুপস্থিতিতে জনতার বাজার–১-এর প্রধান ফটকে তালা ঝুলিয়ে দেওয়া হয়।
আমাদের প্রশ্নঃ মাননীয় হাইকোর্ট যখন ১৪ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত Status Quo বজায় রাখার নির্দেশ দিয়েছেন, তখন সেই আদেশ কার্যকর থাকা অবস্থায় জেলা প্রশাসন কীভাবে বাজারের দখল ও অবস্থার পরিবর্তন ঘটিয়ে বাজারে তালা দিতে পারে?

আমাদের দাবিসমূহ
এই সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে আমরা নিম্নলিখিত দাবিগুলো জানাচ্ছি—
১. ১ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখের মাননীয় হাইকোর্ট বিভাগের Status Quo আদেশ যথাযথভাবে কার্যকর করতে হবে এবং ১৪ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত জনতার বাজার–১-এর possession ও position অপরিবর্তিত রাখতে হবে।
২. আদালতের আদেশ থাকা সত্ত্বেও ৩ সেপ্টেম্বর বাজারে তালা দেওয়ার ঘটনায় কারা সিদ্ধান্ত নিয়েছেন এবং কোন আইনি/প্রশাসনিক ক্ষমতাবলে তালা দেওয়া হয়েছে—তা তদন্ত করতে হবে।
৩. জনতার বাজারের নীতিমালা পরিবর্তনের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট কমিটি ও স্টেকহোল্ডারদের সঙ্গে যথাযথ পরামর্শ করা হয়েছিল কি না, তা তদন্ত করতে হবে।
৪. জেলা প্রশাসনের নিয়োগকৃত কর্মচারীদের বেতন-ভাতার আর্থিক দায় উদ্যোক্তাদের ওপর দেওয়ার সিদ্ধান্তের আইনগত ও প্রশাসনিক ভিত্তি স্পষ্ট করতে হবে।
৫. স্লটার হাউস নির্মাণের জন্য বরাদ্দকৃত TR অর্থের ব্যবহার ও বর্তমান অবস্থান সম্পর্কে পূর্ণাঙ্গ আর্থিক তদন্ত করতে হবে।
৬. জনতার বাজার–১ ও জনতার বাজার–২-এর সরকারি অর্থ ব্যয়, অবকাঠামো, কর্মচারী নিয়োগ, বেতন এবং পরিচালন ব্যয়ের ওপর পূর্ণাঙ্গ অডিট করতে হবে।
৭. জনতার বাজারের নীতিমালা অনুযায়ী প্রশাসনের দায়িত্ব ও কর্তব্য যথাযথভাবে পালন করা হয়েছে কি না, তা তদন্ত করতে হবে।
৮. উদ্যোক্তাদের বিরুদ্ধে যেসব অভিযোগ উত্থাপন করা হয়েছে, সেগুলোর বিষয়ে আমাদের বক্তব্য ও প্রমাণ গ্রহণ করে নিরপেক্ষ তদন্তের সুযোগ দিতে হবে।
৯. উদ্যোক্তাদের সময়, অর্থ ও ব্যবসায়িক যে ক্ষতি হল এর দায় কে নিবে?
১০. সর্বোপরি, জনতার বাজারের ভবিষ্যৎ সম্পর্কে যেকোনো সিদ্ধান্ত মাননীয় আদালতের বিচারাধীন বিষয় ও আদালতের নির্দেশনার প্রতি পূর্ণ সম্মান রেখে গ্রহণ করতে হবে।

আমরা বিশ্বাস করি, জনতার বাজার শুধু একটি ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান নয়; এটি কৃষক ও ভোক্তার মধ্যে সরাসরি সংযোগ তৈরির একটি উদ্যোগ এবং স্বল্পআয়ের মানুষের জন্য সাশ্রয়ী বাজার নিশ্চিত করার একটি জনকল্যাণমূলক প্রচেষ্টা। আমরা চাই না কোনো ব্যক্তির কারণে এই উদ্যোগটি ক্ষতিগ্রস্ত হোক। আমরা চাই প্রশাসন ও উদ্যোক্তারা আইন ও নীতিমালার আওতায় থেকে কাজ করুক।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © 2026 dailyainerkantho কারিগরি সহযোগিতায়ঃ BDITWork.com