1. dailyainerkantho@gmail.com : admin :
অবস্থা খারাপ দেখে মুখে বিষ ঢেলে হাসপাতালে নেয় শ্বসুবাড়ির লোকজন, যুবদল নেতার মৃত্যু। - dailyainerkantho
১৭ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ| ২রা আশ্বিন, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ| শরৎকাল| বৃহস্পতিবার| বিকাল ৫:২৮|
শিরোনামঃ
পঞ্চগড়ে মসজিদের ইমাম নারীসহ স্থানীয় দের হাতে আটক, পরে পুলিশের কাছে সোপর্দ। তেঁতুলিয়ায় বাংলাবান্ধা মহাসড়কে অবরোধ প্রশাসনের মিথ্যে মামলার অভিযোগ তেঁতুলিয়ায় মসজিদের আলেমকে রশি দিয়ে বেধে রেখে মারধর ও অপমানের প্রতিবাদে মানববন্ধন ইবিতে প্রধানমন্ত্রীর আগমন উপলক্ষে প্রস্তুতি কমিটি হারানো বিজ্ঞপ্তি। ধুলিপাড়া গ্রামের আমাদের প্রিয় মতিয়ার ভায়ের ছেলে শহীদ (১৪) হারিয়ে গিয়েছেন৷ ছেলেটা পান্টি মাদ্রাসায় পড়তো, গত শুক্রবার সকাল ৮ টার পর থেকে ছেলেটিকে পাওয়া যাচ্ছে না। মতিয়ার ভাইসহ আত্মীয়স্বজনেরা কুষ্টিয়া শহর, গ্রাম, পরিচিতদের বাড়িতে হন্যে হয়ে খুঁজে বেড়াচ্ছে আজ ৬ দিন । যদি কেউ ছেলেটির সন্ধান পান তাহলে যোগাযোগ করুন। মোবাইল: 01909422521 ইবিতে শহীদ জিয়াউর রহমান হল ডিবেটিং সোসাইটি’র নবীনবরণ ও বিতর্ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত চেয়ারম্যান প্রার্থী মঞ্জুর আলমের সমর্থনে বিশাল শোডাউন বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো’র সকল কার্যালয় শতভাগ ধূমপান ও তামাকজাত দ্রব্য ব্যবহারমুক্ত ঘোষণা হাইকোর্টের রায় উপেক্ষা: মোহাম্মদপুরে পুনর্বাসনের নামে ২৮৮ পরিবারের সাথে চরম প্রতারণার অভিযোগ ডেঙ্গু প্রতিরোধে ইবি ছাত্রদলের পরিচ্ছন্নতা অভিযান

অবস্থা খারাপ দেখে মুখে বিষ ঢেলে হাসপাতালে নেয় শ্বসুবাড়ির লোকজন, যুবদল নেতার মৃত্যু।

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • Update Time : বৃহস্পতিবার, জুলাই ২৪, ২০২৫,
  • 140 Time View

মারধরের পর মুখে বিষ ঢেলে হাসপাতালে নেয় শ্বশুরবাড়ির লোকজন, যুবদল নেতার মৃত্যু

সোহাগের শ্বশুর বাড়ি এলাকায়
বাগেরহাটে শ্বশুরবাড়ির লোকজনের মারধরে সোহাগ সরদার (২৭) নামে এক যুবদল নেতার মৃত্যু হয়েছে। বুধবার (২৩ জুলাই) রাতে তাকে গুরুতর আহত অবস্থায় বাগেরহাট ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেলা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরে খুলনা মেডিকেলে নেওয়ার পথে তার মৃত্যু হয়।

নিহত সোহাগ চিতলমারী উপজেলার সন্তোষপুর গ্রামের আবেদ আলী সরদারের ছেলে। তিনি সন্তোষপুর ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য ছিলেন। বছর দেড়েক আগে বাগেরহাট সদর উপজেলার আদিখালি গ্রামের দীলু মাঝির মেয়ে ছনিয়া আক্তারকে বিয়ে করেছিলেন তিনি।

নিহতের পরিবার ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, বুধবার সোহাগ শ্বশুরবাড়িতে অবস্থান করছিলেন। সেখানে তাকে বেধড়ক মারধর করে, মুখে বিষ ঢেলে হাসপাতালে নিয়ে আসে শ্বশুরবাড়ির লোকজন। এরপর থেকেই সোহাগের স্ত্রী ছনিয়া আক্তার, শ্বশুর দীলু মাঝিসহ পরিবারের সবাই পলাতক রয়েছেন।

বৃহস্পতিবার (২৪ জুলাই) সকালে স্থানীয়দের সহযোগিতায় রজো পাইক নামের এক যুবককে আটক করে পুলিশে দেয় নিহতের স্বজনরা। সে আদিখালি গ্রামের ইনছান পাইকের ছেলে। পুলিশ জানায়, রজোর সঙ্গে ছনিয়ার মায়ের মোবাইল ফোনে যোগাযোগের তথ্যও পাওয়া গেছে।

সোহাগের বোন রেখা বেগম বলেন, বিয়ের পর থেকেই ভাইয়ের সঙ্গে স্ত্রীর সম্পর্ক ভালো ছিল না। তারা আলাদা বাসায় থাকতেন। এর আগেও মারধরের ঘটনায় ভাই হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিল। এবার একেবারে তাকে মেরে ফেলেছে। আমরা বিচার চাই।

বাগেরহাট মডেল থানার ওসি মাহমুদ-উল-হাসান বলেন, নিহতের পরিবারের লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। একজনকে আটক করা হয়েছে। এটি হত্যা না আত্মহত্যা, ময়নাতদন্তের পর বিস্তারিত জানা যাবে।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © 2026 dailyainerkantho কারিগরি সহযোগিতায়ঃ BDITWork.com