
একটি মিথ্যা মামলায় আমাকে অন্যায়ভাবে আটক করে কারাগারে পাঠানো হয়েছিল। আমি আমার ২১ দিনের কারাবাসের বিচার আল্লাহর কাছে দিলাম’ এভাবেই আবেগভরা কণ্ঠে বক্তব্য দেন পালংখালী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আলহাজ্ব এম গফুর উদ্দিন চৌধুরী।
জানা যায়, রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন সংগ্রাম জাতীয় কমিটির মহাসচিব এম গফুর উদ্দিন আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে এমপি পদপ্রার্থী হতে চান।
আমজনতার ব্যাপক সমর্থনে জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিজয়ী হওয়ার অপার সম্ভাবনা নিশ্চিত জেনে প্রতিপক্ষ ষড়যন্ত্র মূলক মিথ্যা গায়েবি মামলা দিয়ে তাঁকে ২১ দিন অন্ধকার কারা প্রকোষ্ঠ থাকতে বাধ্য করেন।
তিনি বলেন, ‘এই অন্যায় অবিচারের বিচার আমি মহান আল্লাহর ওপর ছেড়ে দিলাম। আপনারা যেভাবে পাশে ছিলেন, সেজন্য আমি কৃতজ্ঞ। এই ভালোবাসা কখনো ভুলবো না।’
মঙ্গলবার (১৫ জুলাই) রাত ১২ টার দিকে থাইংখালী স্টেশনে শত শত মানুষের আবেগঘন উপস্থিতিতে তিনি এসব কথা বলেন। এলাকার সর্বস্তরের জনগণ ফুল, গলায় মালা এবং স্লোগান দিয়ে তাকে বরণ করে নেয় এবং নাগরিক সম্বর্ধনা প্রদান করেন। ।
এসময় চেয়ারম্যান গফুর উদ্দিন বলেন, ‘আমি কোনো অপরাধ করিনি, গরীব দুঃখী মেহনতী মানুষের পাশে দাঁড়ানোই যদি অপরাধ হয় তাহলে সেটার বিচার আল্লাহ করবেন।’
তিনি বলেন, ‘আমার বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ এর কোনো সত্য প্রমাণ নেই। একটি উদ্দেশ্যপ্রণোদিত মিথ্যা মামলা দিয়ে আমাকে ফাঁসানো অপচেষ্টা করা হয়েছে। যারা ষড়যন্ত্র করেছে, তারা নিজেদের ইজ্জতও বিক্রি করে দিয়েছে। কিন্তু আমি অন্যায়ের কাছে মাথা নত করিনি, ইনশাআল্লাহ কখনো করবও না।’
এই মজলুম জননেতার কারামুক্তিতে থাইংখালী থেকে পালংখালী পর্যন্ত পথে পথে ছিল হাজারো মানুষের ঢল।
স্থানীয় বিশ্লেষকদের মতে, চেয়ারম্যান গফুর উদ্দিনের জনপ্রিয়তা, উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ড এবং শক্তিশালী সামাজিক ভূমিকা তাকে রাজনৈতিকভাবে প্রতিহিংসার শিকার করেছে।
এই মামলা ছিল সম্পূর্ণ মিথ্যা, বানোয়াট ও সাজানো। উদ্দেশ্য ছিল তার ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করা, এমনটাই দাবি এলাকাবাসীর।