1. dailyainerkantho@gmail.com : admin :
তান্ত্রিকের খপ্পরে পড়ে নারীদের সর্বনাশ - dailyainerkantho
২২শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ| ৭ই আশ্বিন, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ| শরৎকাল| মঙ্গলবার| রাত ৩:৪৪|
শিরোনামঃ
জ্বালানি তেলের বর্ধিত মূল্য প্রত্যাহার করতে হবে: জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশ ইবির পাবলিক এডমিনিস্ট্রেশন ডিবেটিং সোসাইটির নেতৃত্বে সেতু-নোমান-হাম্মাদ বারহাট্টায় আগুনে পোড়া মন্টুর বাড়ি পরিদর্শন করলেন নেত্রকোনা-২ আসনের এমপি ইবিতে দুই দফা সংঘর্ষের পর ফুটবল টুর্নামেন্ট স্থগিত, সাংবাদিকসহ আহত অন্তত ১৪ ধর্মপাশায় সেলবরষ ইউনিয়ন বিএনপির দ্বী-বার্ষিক সম্মেলনে ফরম বিক্রয় বিরোধপূর্ণ জমিতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষা ম্যাজিস্ট্রেটের মাধ্যমে কার্যবিধির ১৪৪ ধারা জারি ঠাকুরগাঁওয়ে বিএনপির বিক্ষোভ ইবির খালেদা জিয়া হল স্পোর্টস ক্লাবের নেতৃত্বে ইফফাত-সুষ্মিতা গোদাগাড়ীতে অষ্টম শ্রেণি পাসে চলছে ‘ডাক্তারি’, দিচ্ছেন ক্যান্সারের চিকিৎসাও ৩১ লাখ টাকা আত্মসাৎ ও ৭ ঘণ্টা থানায় আটকে রাখার অভিযোগ: ওসির ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন, সংবাদ সম্মেলনে ব্যবসায়ীর তোপ

তান্ত্রিকের খপ্পরে পড়ে নারীদের সর্বনাশ

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • Update Time : শনিবার, আগস্ট ১৬, ২০২৫,
  • 123 Time View

হাত পোড়াতে ব্যবহার করা তান্ত্রিক বাবার সেই বস্তু আসলে কী: বার্ন ইউনিটের চিকিৎসক আর ভুক্তভোগী নারীদের সঙ্গে কথা বলে জানার চেষ্টা করা হয়, কী ধরনের জিনিসে তাদের হাত পুড়েছে? তাদের প্রায় সবাই বলছেন, চিনির সঙ্গে লাল কালচে রঙের একটা জিনিস তারা হাতের মুঠোয় চেপে ধরেছিলেন। বাজারে গিয়ে পুরোনো কবিরাজি দোকান এবং কেউ কেউ ওষুধ ও কেমিক্যাল বিক্রির দোকান থেকে ‘পটাশ’ নামে সেই জিনিস কিনেছিলেন।

 

 

বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইউনিটের আবাসিক চিকিৎসক হারুন অর রশিদ বলেন, আসলে কথিত তান্ত্রিক বাবা ভুক্তভোগীদের যে লালচে কালো রঙের জিনিস কিনতে বলেছিলেন, সেটা মূলত পটাশিয়াম পারম্যাঙ্গানেট। চিনির সঙ্গে এটা হাতে রাখলে হাত গরম হবে। কিন্তু সেটা তো আর ভুক্তভোগী নারীদের জানার কথা নয়। সেই সুযোগটাই কাজে লাগিয়েছে প্রতারক কবিরাজরা। তিনি বলেন, ‘চিনির সঙ্গে পটাশিয়াম পারম্যাঙ্গানেট হাত মুঠো করে রাখলে তীব্র গরম বিক্রিয়া তৈরি হয়ে ফুল থিকনেস বার্ন হয়।’

 

 

বিষয়টি পুরোপুরি খোলাসা হওয়া যায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রসায়ন বিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. ইকবাল রউফ মামুনের কাছে। তিনি কালবেলাকে বলেন, ‘পটাশিয়াম পার ম্যাঙ্গানেট এক ধরনের রাসায়নিক দ্রব্য। যখন এই দ্রব্য চিনির সঙ্গে মিশিয়ে হাতের তালুতে মুষ্টিবদ্ধ করে রাখা হয়, তখন জারণ বিক্রিয়ার ফলে তা এসিডিক পদার্থে পরিণত হয় এবং প্রচুর তাপ উৎপাদন হয়।’

 

 

অধ্যাপক মামুন বলেন, এই তাপে হাত বা শরীরের চামড়া পুড়ে যায়। আরও সহজ করে বলতে গেলে, এই মিশ্রণটার বিক্রিয়ায় উৎপন্ন পদার্থ এসিডের মতো। অ্যাসিড মানুষের শরীরে লাগলে যেমন পুড়ে যায়, তেমনি এই ক্ষেত্রেও সেটাই হয়। তিনি বলেন, এতটুকু নিশ্চিত করেই বলা যায়, এই রাসায়নিক দ্রব্য হাতের তালুতে ধরে রাখলে কোনোভাবেই ‘বদ জিন’ আসবে না বা কারও মনের আশাও পূরণ হবে না। এগুলো প্রতারণার একটা অভিনব কৌশল।

 

 

বার্ন ইউনিটের একাধিক চিকিৎসক জানান, ল্যাবে নানা পরীক্ষায় পরিমাণ মতো এই ধরনের রাসায়নিক ব্যবহার করা হয়। কিন্তু ভুক্তভোগী রোগীদের সঙ্গে তারা কথা বলে বুঝতে পেরেছেন, কথিত তান্ত্রিক বাবা বা কবিরাজরা নিজেদের ক্ষমতা দেখাতে তা বেশি পরিমাণই হাতের মুঠোয় নিতে বলে থাকে হয়তো। এতে হাতের ক্ষতও বেশি হয়। অ্যাসিড হওয়ায় এই পোড়ার ক্ষতও অনেক মারাত্মক। সঠিক সময়ে এ ধরনের পোড়ার চিকিৎসা না করালে পঙ্গুত্ব বরণ করেও নিতে হতে পারে।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © 2026 dailyainerkantho কারিগরি সহযোগিতায়ঃ BDITWork.com