
এটা একটি অরাজনৈতিক,অলাভজনক,সেচ্ছাসেবী,সেবামূলক, বেসরকারি প্রতিষ্ঠান।
প্রিয় দেশবাসি আচ্ছালামু আলাইকুম ওয়ারাহ মাতুল্লাহি ওবারকাতুহু। আপনারা নিশ্চয়ই অবগত আছেন যে দেশ এক ক্রান্তিকাল অতিক্রম করছে, সকলে নিশ্চয়ই অবগত আছেন যে সকলের প্রানাধীক প্রিয় দেশটি আজ দুর্নীতিবাজ,চাঁদাবাজ, দখলবাজ,ঘুষখোর,লুন্ঠন সহ হেন কোন অপরাধ নাই যা সংগঠিত হচ্ছেনা, যে জন্য আমাদের কাঙ্খিত দেশটিকে একটি বাসযোগ্য, সুখি ও সমৃদ্ধ দেশ হিসাবে গড়ার অন্তরায় হয়ে দাড়িয়েছে অপরাধ গুলি। দেশবাসিকে সাথে নিয়ে আমাদের (দুর্নীতি প্রতিরোধ ফাউন্ডেশন)এ-র প্রথমিক পর্য্যায়ের কর্ম সূচি গুলো বাস্তবায়নে চেষ্টা করছি।আমাদের মনে রাখতে হবে জনসাধারনের সম্পৃক্ততা ছাড়া সরকারের একার পক্ষে দুর্নীতি প্রতিরোধ সহ অন্যান্য অপরাধ প্রতিরোধ সম্ভব নয়। আমরা সৎ,সাহসি ও দেশ প্রেমিক সকলকে সদস্যপদ গ্রহন করার জন্য উদাত্ব আহ্বান জানাচ্ছি। আমরা প্রাথমিক পর্য্যায়ে যে সকল কার্য্যক্রম বাস্তবায়নের জন্য কাজ করছি তা নিম্ন রুপ। কর্মসূচী সমূহঃ
১.দরিদ্র মানুষের মধ্যে যে কোন জনহিতকর বা দাতব্য কার্যক্রম পরিচালনা করা;
২. অবহেলিত দারিদ্রপিড়িত মানুষের মধ্যে ত্রান সামগ্রী বিতরন কার্যক্রম গ্রহণ;
৩. অশিক্ষিত ও অর্ধশিক্ষিত মানবগোষ্ঠীকে উন্নত পদ্ধতিতে শিক্ষামুলক কার্যক্রম গ্রহণের মাধ্যমে কর্মদক্ষতা বৃদ্ধির উদ্দেশ্যে পশিক্ষনের ব্যবস্হা নেওয়া/গ্রহন;
৪. স্কুল, কলেজ, মাদ্রসা সহ বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে দুর্নীতি বিষয়ক শিক্ষা মুলক কার্যক্রম গ্রহন করে তৃনমুল হতে দুর্নীতি প্রতিরোধে শিক্ষার্থীদের তৈরি করা;
৫. জনসাধারণকে /দরিদ্র জনগোষ্ঠিকে/মানব সমাজকে উপযোগিতামুলক/তাদের হিতকর কার্যক্রম সম্পর্কে অবহিত করা;
৬. সাধারন মানুষের (অশিক্ষিত ও অর্ধশিক্ষিত) মধ্যে পাঠাগার/পাঠকক্ষ প্রতিষ্ঠা করে পাঠাভ্যাস গড়ে তোলার মাধ্যমে দুর্নীতি প্রতিরোধে তাদের করনীয় সম্পর্কে অবহিত/সচেতন করে তোলা।
৭. ইসলামিক শিক্ষার সাথে সংশ্লিষ্ঠ প্রতিষ্ঠান সমুহের সাথে আলোচনা করে যেমন মসজিদের ইমাম ও মাদ্রাসা সমুহের আলেম ওলামাগন কে দুর্নীতি প্রতিরোধে সামাজিক সচেতনতা সৃষ্টিতে ভুমিকা পালনে কাজে লাগানোর চেষ্টা করা বা সহায়তা করা।
৮. অপরাধের উৎস চিন্হিত করন প্রতিকারে গভেষনা, অনুসন্ধান করে জনসচেতনতা সৃষ্টির লক্ষে বই, পত্রিকা, লিফলেট, পোস্টার ইত্যাদি প্রকাশনা, সেমিনার, গোলটেবিল বৈঠক, মানববন্ধন ও প্রদর্শনীর আয়োজন করার পাশাপাশি প্রামান্য চিত্র, অনুসন্ধানী প্রতিবেদন নির্মান করে বাংলাদেশ টেলিভিশন ও অন্যান্য চ্যানেল সহ সকল প্রচার মাধ্যমে প্রচারের ব্যাবস্হা করা। অপরাধ ও অপরাধীদের বিরুদ্ধে গণ সচেতনতা সৃষ্টি করা। দেশের শিক্ষা প্রতিষ্ঠান সমূহের ছাত্র ছাত্রীদের মাঝে দুর্নীতি প্রতিরোধে তাদের করনীয় কি এ বিষয় তাদের সচেতন করে তুলতে বিভিন্ন শিক্ষা মুলক কার্যক্রম পরিচালনা করে তাদেরকে প্রস্তুত করে গড়ে তোলা।
৯. নিয়মিত অপরাধ পরিস্থিতির পর্যালোচনা করে বাস্তব পরিস্থিতির আলোকে (দুর্নীতি প্রতিরোধ ফাউন্ডেশ) করনীয় সম্বন্ধে পদক্ষেপ নিবে এবং পুলিশ ও প্রশাসনকে পরামর্শ দিয়ে সহযোগিতা করা। চিন্হিত অপরাধীদেরকে আইনি সাজা প্রদানে বাদি হয়ে মামলা পরিচালনা ও জনগনের মধ্যে মানবাধীকার, নাগরিক সহযোগিতা ও অংশীদারিত্বের ভিত্তিতে অপরাধ দমন ও এলাকার সমস্যা সমাধানের সুযোগ সৃষ্টি করে সরকারি নিয়ন্ত্রাধীন বেসরকারি লাভ ও অলাভজনক প্রতিষ্ঠানের নিয়ম বহিরভুত কার্যক্রম সনাক্ত করে স্ব স্ব কতৃপক্ষকে অবগত করা বা প্রশাসন তথা পুলিশকে অবগত করা,প্রয়োজনে আইনি সহায়তা গ্রহন করা।
১০. চোরাচালান, খাদ্যে ভেজাল, ভেজাল পণ্য উৎপাদন, ওজনে কমদেয়া সহ অন্যান্য সামগ্রীর ভেজাল রোধে অনুসন্ধান/জরিপ, পন্যের গুনগত মান যাচাই, দুর্নীতিবাজ/অপরাধীদের উপস্হিতি,গোপন অস্হানা এবং অপরাধ সংগটনের প্রস্তুতি ইত্যাদি সম্পর্কে তথ্য সংগ্রহ করে প্রশাসন তথা পুলিশকে অবহিত করা/জনসাধারনের সহযোগিতায় অপরাধিকে আটক করে পুলিশে সপর্দ করা।
উল্লেখি কার্য্যক্রম গুলি বাস্তবায়নে জনসাধারনের অংশ গ্রহন,ছাত্র/ছাত্রী,শিক্ষক সমাজ,ইমাম মুয়াজ্জিন সহ সকলের(অপরাধীব্যতিত) অংশ গ্রহন অতিব জরুরি। অন্যথায় দুর্নীতি,চাঁদাবাজি,সন্ত্রাস,মাদক,মানবাধীকার লঙ্গন সহ অন্যান্য অপরাধ দৈনন্দিন বৃদ্ধি পেতে থাকবে। আমরা কাঙ্খিত একটি দেশ বিনির্মানে ব্যর্থ হবো। বর্নিত সমস্যা গুলো হতে উত্তরনে আমরা (দুর্নীতি প্রতিরোধ ফাউন্ডেশন) সারা দেশ হতে সদস্য সংগ্রহ করছি এবং গ্রাম,ওয়ার্ড, ইউনিয়ন,থানা/উপজেলা/পৌরসভা/সিটিকর্পোরেশন, জেলা ইত্যাদি পর্য্যায়ে কমিটি গঠনকরে কর্মসূচি গুলি বাস্তবায়নে ভুমিকা রাখবে। আপনিও একজন সদস্য হয়ে নিজ মাতৃভূমিকে একটি দুর্নীতিমুক্ত দেশ গড়ায় অংশ নিন।এ প্রতিষ্ঠানটি সদস্যদের ভর্ত্তি ফি মাসিক চাঁদা ও সর্ব্ব সাধারনের দান/অনুদানে কার্য ক্রম পরিচালনা করে আসছে। আসুন আমরা সবাই প্রতিজ্ঞা করি “দুর্নীতি করবনা করতে দিবোনা”।
হটাও দুর্নীতি বাঁচাও দেশ আমরাই গড়ব দুর্নীতি মুক্ত বাংলাদেশ।