
বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি, প্রো-ভিসি, ট্রেজারারকে ইবিতে সংবর্ধনা
ইবি প্রতিনিধি
দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে নবনিযুক্ত উপাচার্য, উপ-উপাচার্য ও কোষাধ্যক্ষকে সংবর্ধনা ও সম্মাননা প্রদান করেছে ইউনিভার্সিটি টিচার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ইউট্যাব), ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় শাখা। শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) বেলা সাড়ে ১১টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের মীর মশাররফ হোসেন একাডেমিক ভবনে এই অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।
ইউট্যাব ইবি শাখার ভারপ্রাপ্ত সভাপতি অধ্যাপক মোহাম্মদ সেলিমের সভাপতিত্বে ও ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ড. রশিদুজ্জামানের সঞ্চালনায় এতে সংবর্ধিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ কে এম মতিনুর রহমান ও ইসলামী আরবি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আবু জাফর খান; মেহেরপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহা. তোজাম্মেল হোসেন; সুনামগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. জাকির হুসাইন; ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মমতাজ হোসেন এবং ট্রেজারার অধ্যাপক ড. ইদ্রিস আলী।
সংবর্ধিত অতিথিরা বলেন, ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের যোগ্য শিক্ষকদের এখানে এবং বাইরেও বিভিন্ন দায়িত্বে দেওয়া হয়েছে— এটা আমাদের জন্য গর্বের। আমাদের আচার্য যেই নিয়তে আমাদেরকে দায়িত্ব দিয়েছেন সেই দায়িত্বটা যেন আমরা যথাযথভাবে পালন করতে পারি এজন্য দোয়া চাই। শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান কর্তৃক ইসলামিক, সাধারণ ও বিজ্ঞান শিক্ষার সমন্বয়ে প্রতিষ্ঠিত বিশ্ববিদ্যালয়টির ঐতিহাসিক গুরুত্ব রয়েছে বলেও মন্তব্য করেন তারা।
ইবি উপাচার্য অধ্যাপক ড. একেএম মতিনুর রহমান বলেন, ইউট্যাব (ইউনিভার্সিটি টিচার্স অ্যাসোসিয়েশন অফ বাংলাদেশ) সংগঠনটি যখন বর্তমান প্রধানমন্ত্রী বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান ছিলেন, তখন লন্ডনে থাকা অবস্থায় তিনি এর অনুমোদন দেন এবং প্রধান পৃষ্ঠপোষক হিসেবে ভূমিকা রাখেন। পরবর্তীতে ইউট্যাব-এর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. ওবায়দুল ইসলাম এবং মহাসচিব অধ্যাপক ড. মোরশেদ হাসান খানের নেতৃত্বে ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে রাজপথের আন্দোলনে শিক্ষকরা অংশগ্রহণ করেছেন। মামলা-হামলা ও গুম হওয়ার ঝুঁকি থাকা সত্ত্বেও তারা জীবন ঝুঁকি নিয়ে কাজ করেছেন। বর্তমানে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের বেশ কয়েকজন যোগ্য শিক্ষক ও শিক্ষার্থী রাষ্ট্রের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদে দায়িত্ব পালন করছেন, যা অন্য যেকোনো বিশ্ববিদ্যালয়ের চেয়ে বড় অর্জন। আমরা একজোট হয়ে এই ঐক্য ও সংহতি বজায় রাখতে পেরেছি।