পুলিশের এই ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা আরও জানান, ময়মনসিংহ রেঞ্জে যারা ইতিমধ্যে ওসি হিসাবে কর্মরত, তাদের জীবন বৃত্তান্ত পুনরায় যাচাই-বাছাই করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে এবং ইতিমধ্যে একটি গোয়েন্দা সংস্থা তদন্ত করছে। জানাগেছে উক্ত গোয়েন্দা সংস্থা’র একজন উপ-পরিচালক পদমর্যাদার কম নয়, এমন একজন কর্মকর্তাকে দিয়ে সর্বোচ্চ গোপনীয়তা বজায় রেখে দ্রুত প্রতিবেদন দেওয়ার জন্য বলা হয়েছে। প্রতিবেদনে কর্মকর্তার নাম, জন্ম তারিখ, জাতীয় পরিচয়পত্র, সচল একাধিক ফোন নম্বর, ই-মেইল, ফেসবুক, টিআইএন নম্বর এবং পাসপোর্ট নম্বর সংযুক্ত করতে বলা হয়েছে। গোপনীয় প্রতিবেদনে কর্মকর্তা যে স্কুল, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ালেখা করেছেন তার নাম, সেশন ও অধ্যয়ন করা বিষয় এবং অবস্থান/আবাসিক হলের তথ্য দিতে হবে। ছাত্র রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ততার তথ্য ছাড়াও প্রার্থী অন্য জেলায় অধ্যয়ন করে থাকলে সংশ্লিষ্ট জেলায় যোগাযোগ পূর্বক তার রাজনৈতিক সম্পৃক্ততা নিশ্চিত করতে হবে। (রক্ষিত মূল ভেরিফিকেশন নথি থেকে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের নাম সংগ্রহ করে পুনরায় অধ্যয়নকালীন রাজনৈতিক সম্পৃক্ততার তথ্য সংগ্রহ করতে বলা হয়েছে।
এ ছাড়াও কলেজ/বিশ্ববিদ্যালয়ের দু’জন করে বন্ধুর নাম, ঠিকানা ও মোবাইল নম্বর, সংশ্লিষ্ট থানার রেকর্ড (সিডিএমএসের তথ্য) যাচাই করে দিতে হবে বলেও চিঠিতে উল্লেখ করা হয়। আরও বলা হয়, প্রার্থীর রাজনৈতিক সংশ্লেষ ছাড়াও কোনোরূপ জঙ্গি সংশ্লিষ্টতায় জড়িত কি না সেই তথ্য দিতে হবে। প্রার্থী সম্পর্কে এলাকার স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি, গ্রহণযোগ্যতা আছে এমন জনপ্রতিনিধি, সাংবাদিক এবং তার সমসাময়িক বন্ধু-বান্ধবদের কাছ থেকে তথ্য সংগ্রহ করে তার ব্যাপারে বিস্তারিত তথ্য দিতে হবে। ময়মনসিংহ জেলা পুলিশ সুপার কাজী আখতার উল আলমের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ভালুকা মডেল থানার ওসি মোঃ হুমায়ুন কবীরের তদন্ত শুরু হয়েছে। তিনি ছাত্রলীগ করতেন, তদন্তে প্রমানিত হলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশের কমিশনার (অতিরিক্ত আইজিপি) মোঃ রেজাউল করিম পিপিএম-বিপিএম এর কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ওসি হুমায়ুন কবীরের বিষয়ে আমরা তদন্ত করছি। নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের কমিটি তো অনেক আগের, তা খোঁজে বের করতে সময় লাগছে। তারপরও আমরা পক্ষে-বিপক্ষের কথা শুনেছি। উভয়ের বক্তব্য আমরা নিয়েছি। যাচাই-বাছাই করছি। এখনো তদন্ত চলমান।







