1. dailyainerkantho@gmail.com : admin :
বৈষম্যের শিকার হচ্ছি অভিযোগ এনসিপি নেত্রীর - dailyainerkantho
২০শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ| ৫ই আশ্বিন, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ| শরৎকাল| রবিবার| দুপুর ১:১২|
শিরোনামঃ
বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি, প্রো-ভিসি, ট্রেজারারকে ইবিতে সংবর্ধনা ধর্মপাশায় পাইকুরাটি- সেলবরষ ইউনিয়ন প্রবাসী উন্নয়ন সমিতির নগদ অর্থ বিতরণ রাজশাহীতে ৭ দফা দাবিতে দলিল লেখক সমিতির সমাবেশ ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. শিপন চাকরিচ্যুত রাজশাহীতে ৩০ হাজার বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন ‘গ্রিন ও ক্লিন সিটির’ গৌরব ধরে রাখার আহ্বান ভূমিমন্ত্রীর চান্দিনা পৌরসভা নির্বাচন সামনে রেখে নাইমুল হক ভূঁইয়ার মতবিনিময় সভা ঠাকুরগাঁও-১: ফয়সলই বিএনপির প্রার্থী ক্যান্সারে আক্রান্ত নজরুল বিশব্বিদ্যালয়ের সাবেক রেজিস্ট্রার, প্রয়োজন অর্থ সহায়তা  আমরা কখনো সাংবাদিকদের কণ্ঠ রোধ করব না, আবুল কালাম এমপি  ইবি শিক্ষার্থীদের উদ্যোগে ফিলিস্তিনের উত্তর গাজায় ৫০০০ লিটার বিশুদ্ধ পানি বিতরণ

বৈষম্যের শিকার হচ্ছি অভিযোগ এনসিপি নেত্রীর

হবিগঞ্জ(মাধবপুর) প্রতিনিধি
  • Update Time : বুধবার, অক্টোবর ১৫, ২০২৫,
  • 155 Time View

মাধবপুর (হবিগঞ্জ) প্রতিনিধি:হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলা প্রশাসনের সরকারি-বেসরকারি কার্যক্রম থেকে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)-এর নেত্রী ও উপজেলা প্রধান সমন্বয়কারী আছমা আক্তার চৌধুরীকে বঞ্চিত রাখার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন তিনি।

১৩ অক্টোবর সোমবার নিজের ফেসবুক আইডিতে দেওয়া এক পোস্টে আছমা আক্তার চৌধুরী লেখেন, “সরকারি বেসরকারি সকল কার্যক্রম থেকে বঞ্চিত মাধবপুর উপজেলা জাতীয় নাগরিক পার্টি-এনসিপি! কার হাতে বন্দি উপজেলা প্রশাসন!”

এই পোস্টটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দেয়। অনেকে মন্তব্যে প্রশাসনের স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন, আবার কেউ কেউ বিষয়টি রাজনৈতিক কৌশলের অংশ বলেও মত দেন।

এ বিষয়ে বক্তব্য জানতে চাইলে আছমা আক্তার চৌধুরী বলেন, “জাতীয় নাগরিক পার্টির হবিগঞ্জ জেলা কমিটি থেকেও ইউএনওকে আনুষ্ঠানিকভাবে চিঠি দিয়ে আমাদের কমিটিকে প্রশাসনিক কার্যক্রমে অন্তর্ভুক্ত রাখার অনুরোধ জানানো হয়েছে। কিন্তু তারপরও উপজেলা পর্যায়ে আমাদের কেউ কোনো অনুষ্ঠান বা সভায় ডাকা হয় না। এটি রাজনৈতিক বৈষম্যের শামিল।”

তিনি আরও বলেন, সরকারের উন্নয়নমূলক কর্মকান্ডে অংশগ্রহণ করার এবং বঞ্চিত মানুষের পক্ষে কথা বলার অধিকার আমাদের আছে। আছমা আক্তার চৌধুরী বলেন, “আমরা যে বৈষম্যের বিরুদ্ধে লড়াই করে নতুন সরকার এনেছি, আজ নিজেদেরই বৈষম্যের শিকার হতে হচ্ছে। এটা শুধু আমার প্রতি নয়, পুরো দলের প্রতি অবিচার।”

এ প্রসঙ্গে মাধবপুরের উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও ) জাহিদ বিন কাসেম জানান,“এনসিপির প্রতিনিধিরা সরকারি বিভিন্ন কর্মসূচিতে নিয়মিত উপস্থিত থাকেন। কাউকে বাদ দেওয়ার কোনো নির্দেশনা বা উদ্দেশ্য প্রশাসনের নেই। যদি কোনো ভুল বোঝাবুঝি বা অভিযোগ থাকে, তা যাচাই করে সমাধান করা হবে।”

স্থানীয় রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, নতুন সরকারের সহযোগী দলগুলোর প্রতিনিধিদের মধ্যে প্রশাসনিক কার্যক্রমে অংশগ্রহণের ক্ষেত্রে কখনও কখনও তথ্য আদান-প্রদানে ঘাটতি বা যোগাযোগ সংকট তৈরি হয়, যা ভুল বোঝাবুঝির জন্ম দেয়। গণঅভ্যুত্থানের পক্ষের শক্তি হিসেবে দলটিকে সরকারের সকল কার্যক্রমে অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা প্রশাসনের দায়িত্ব।

এদিকে, আছমা আক্তার চৌধুরীর পোস্টটি ইতিমধ্যেই সামাজিক মাধ্যমে ব্যাপক সাড়া ফেলেছে। অনেকে মন্তব্যে তাঁর প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করেছেন এবং প্রশাসনের প্রতি ন্যায্য আচরণের দাবি জানিয়েছেন।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © 2026 dailyainerkantho কারিগরি সহযোগিতায়ঃ BDITWork.com