1. dailyainerkantho@gmail.com : admin :
জুলাই গণ-অভ্যুত্থানকে পাঠ্যসূচিতে অন্তর্ভুক্তির দাবি জানাল শিবির - dailyainerkantho
১৫ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ| ৩১শে ভাদ্র, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ| শরৎকাল| মঙ্গলবার| ভোর ৫:২৯|
শিরোনামঃ
সম্পত্তি হস্তান্তর আইন সংশোধনী বিলে স্বাক্ষর না করতে রাষ্ট্রপতির প্রতি জমিয়তের আহ্বান নানা আয়োজনে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে রাজশাহী বরেন্দ্র প্রেসক্লাবের ৫ম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ইবির সাদ্দাম হলে অবৈধ শিক্ষার্থী অপসারণসহ চার দফা দাবিতে ছাত্রশিবিরের স্মারকলিপি সান্তাহারে প্রবাসীর স্ত্রীর সঙ্গে অনৈতিক কর্মকাণ্ডের অভিযোগে পুলিশের এএসআই ক্লোজ!! সুনামগঞ্জে সার্বিক আইন-শৃঙ্খলা, উন্নয়নমূলক সমন্বয় সভা তেঁতুলিয়ায় পৃথক অভিযানে ৫৮ বস্তা সার জব্দ ঠাকুরগাঁওয়ে রাণীশংকৈলে ২৬০ ইয়াবাসহ তিনজন গ্রেপ্তার ‘বিভেদ নয় ঐক্য’-মূলনীতিকে সামনে রেখে আনুষ্ঠানিকভাবে বাংলাদেশ মুসলিম-হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিস্টান ঐক্য ফোরামের আত্মপ্রকাশ দুই গ্রুপের সংঘর্ষে আহত ১৫ খেয়ালখুশি মতো অফিস করেন তেঁতুলিয়া  উপজেলা পল্লি উয়ন্নন বোড় বিআরডিবি কর্মকর্তা 

জুলাই গণ-অভ্যুত্থানকে পাঠ্যসূচিতে অন্তর্ভুক্তির দাবি জানাল শিবির

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • Update Time : শুক্রবার, আগস্ট ১৫, ২০২৫,
  • 152 Time View
জুলাই গণ-অভ্যুত্থানকে পাঠ্যসূচিতে অন্তর্ভুক্ত করাসহ ৩০ দফা দাবি নিয়ে শিক্ষা সংস্কার প্রস্তাব দিয়েছে ইসলামী ছাত্রশিবির। শিক্ষা বাজেট অগ্রাধিকার, নারী শিক্ষার প্রসারে উপযুক্ত পরিবেশ নিশ্চিত, ছাত্ররাজনীতির যথাযথ চর্চা ও নিয়মিত ছাত্র সংসদ নির্বাচন আয়োজনের কথাও সেখানে বলা হয়।

আজ বৃহস্পতিবার বিকেলে রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাবের আব্দুস সালাম হলে কেন্দ্রীয় ইসলামী ছাত্রশিবির আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে এসব প্রস্তাব তুলে ধরেন সংগঠনটির সভাপতি জাহিদুল ইসলাম।

এ সময় প্রকাশিত জুলাই ঘোষণাপত্রে শিক্ষা সংস্কার প্রস্তাব অন্তর্ভুক্ত করে জুলাই সনদ প্রণয়ন ও এর আইনি ভিত্তি দিতে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রতি আহ্বান জানায় ছাত্রশিবির।

প্রস্তাবে পাঠ্যক্রম, শিক্ষানীতি, শিক্ষা ব্যবস্থাপনা, উচ্চশিক্ষা, ছাত্র সংসদ, মাদ্রাসা শিক্ষা, দক্ষতা, মূল্যায়ন, শিক্ষক প্রশিক্ষণ এবং বিবিধ বিষয়ে মোট ৩০ দফা দাবি তুলে ধরা হয়।

সমৃদ্ধ জাতি গঠনের জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্র শিক্ষাব্যবস্থা বরাবরের মতোই ‘উপেক্ষিত’ হচ্ছে বলে সংবাদ সম্মেলনে মন্তব্য করেন জাহিদুল ইসলাম।

তিনি বলেন, ‘ঔপনিবেশিক মনোভাব, পাশ্চাত্য সভ্যতার আগ্রাসন এবং ভারতীয় আধিপত্যবাদের প্রভাব এ দেশের নিজস্ব শিক্ষা কাঠামো তৈরিতে অন্তরায় হয়ে দাঁড়িয়েছে। ১৯৭২ সালে ড. কুদরত-ই-খুদা শিক্ষা কমিশন স্বাধীনতার মূলমন্ত্র (সাম্য, মানবিক মর্যাদা ও সামাজিক সুবিচার) উপেক্ষা করে একটি ধর্মনিরপেক্ষ শিক্ষানীতি প্রণয়ন করে, যা ছিল দেশের বৃহত্তর জনগোষ্ঠীর আশা-আকাঙ্ক্ষা, চিন্তাচেতনা, ঐতিহ্য, মূল্যবোধ ও সাংস্কৃতিক জীবনবোধের পরিপন্থী।

‘এ ছাড়া বিভিন্ন সময়ে যে শিক্ষা সংস্কার কমিশন গঠন হয়েছিল, তাদের সংস্কার প্রস্তাবগুলো রাজনৈতিক স্বার্থান্বেষী মহলের স্বার্থ ও সুবিধা রক্ষায় বিভিন্ন সময়ে তা পরিবর্তন করা হয়েছে। মুসলিম দেশ হিসেবে বাংলাদেশে এমন একটি শিক্ষাব্যবস্থার প্রবর্তন করা জরুরি, যার মাধ্যমে নৈতিক ও মানবিক মূল্যবোধকে জাতীয় জীবনের সর্বক্ষেত্রে বাস্তবায়ন করা সম্ভব।’

শিবিরের এই নেতা লিখিত বক্তব্যে বলেন, ‘ইউনেসকোর সুপারিশ অনুযায়ী একটি দেশের শিক্ষা খাতে ব্যয় করা উচিত জিডিপির ন্যূনতম ৬ শতাংশ; কিন্তু বাংলাদেশের ক্ষেত্রে এই হার ২ শতাংশেরও কম। এশিয়ার অন্যান্য দেশের দিকে তাকালে আমাদের শিক্ষা খাতের করুণ অবস্থা আরও ন্যক্কারজনকভাবে ফুটে ওঠে।’

সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সেক্রেটারি জেনারেল নুরুল ইসলাম সাদ্দাম, দপ্তর সম্পাদক সিবগাতুল্লাহ, প্রচার সম্পাদক আজাদুর রহমান আজাদ প্রমুখ।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © 2026 dailyainerkantho কারিগরি সহযোগিতায়ঃ BDITWork.com