1. dailyainerkantho@gmail.com : admin :
বিবাহিত হওয়ায় এক স্কুলের সকল পরীক্ষার্থী ফেল করেছে - dailyainerkantho
১লা আগস্ট, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ| ১৭ই শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ| বর্ষাকাল| শনিবার| সকাল ৯:১৯|
শিরোনামঃ
জুলাই অভ্যুত্থানের একমাত্র মাস্টারমাইন্ড মহান আল্লাহ,ইনসাফ গার্ডের সভাপতি খান রায়হান রাজশাহীতে সাংবাদিক সম্রাটকে কুপিয়ে জখম, অবস্থা আশঙ্কাজনক সান্তাহারে ভেজাল আইসক্রিম কারখানায় অভিযানে ১০ লক্ষ টাকার মালামাল জব্দ, গোডাউন সিলগালা এফআইআরে নাম না থাকলেও নুসরাত হত্যা মামলায় সাজা খাটছেন অর্ধ যুগের বেশি. হাইকোর্টে ন্যায়বিচার চান ভক্তভোগীর স্বজনরা. হরিণাকুণ্ডু উপজেলা আইন-শৃঙ্খলা কমিটির মাসিক সভা অনুষ্ঠিত: স্কাউটিং কে গতিশীল করতে আমি সর্বাত্মক সহযোগিতা করবো- গাজালা পারভীন রুহী বগুড়ায় ডিবি পুলিশের অভিযানে ২ হাজার ট্যাপেন্টারডল ট্যাবলেট উদ্ধার, তিনজন গ্রেপ্তার!! আদমদীঘি থানা পুলিশের বিশেষ অভিযানে নারী সহ গ্রেপ্তার-৮!! নেত্রকোণা ইউনিয়ন পর্যায়ে জনপ্রিয়তার শীর্ষে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মজিবুর রহমান ধর্মপাশা জয়শ্রী ইউনিয়নে আলোচনার তুঙ্গে কারানির্যাতিত যুবদল নেতা আবুল বাশার

বিবাহিত হওয়ায় এক স্কুলের সকল পরীক্ষার্থী ফেল করেছে

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • Update Time : বৃহস্পতিবার, জুলাই ১০, ২০২৫,
  • 120 Time View

পিরোজপুরে এ বছর মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি) ও সমমানের পরীক্ষায় দুটি বিদ্যালয় থেকে কোনো শিক্ষার্থী পাস করেনি। বৃহস্পতিবার (১০ জুলাই) এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফল প্রকাশিত হলে বরিশাল বিভাগের কোনো শিক্ষার্থী পাস না করা ১৬টি বিদ্যালয়ের তালিকায় ওই বিদ্যালয় দুটির নাম পাওয়া যায়।বিদ্যালয় দুটি হলো পিরোজপুর সদর উপজেলার জুজখোলা সম্মিলিত মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয় এবং জেলার ভান্ডারিয়া উপজেলার মধ্য চড়াইল মাধ্যমিক বিদ্যালয়।

জানা গেছে, সদর উপজেলার জুজখোলা সম্মিলিত মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয় থেকে ১২ জন এবং ভান্ডারিয়া উপজেলার মধ্য চড়াইল মাধ্যমিক বিদ্যালয় থেকে ৭ জন এ বছর এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার জন্য রেজিস্ট্রেশন করেছিল। তবে বিদ্যালয় দুটি থেকে এ বছর এসএসসি পরীক্ষায় ৫ জন করে মোট ১০ জন পরীক্ষার্থী অংশগ্রহণ করে এবং পরীক্ষায় অংশ নেওয়া ১০ জনের কেউই উত্তীর্ণ হতে পারেনি। বিদ্যালয় দুটিতে ১০ জন শিক্ষক আছেন এবং বিদ্যালয় দুটি এমপিওভুক্ত।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক সদর উপজেলার জুজখোলা গ্রামের এক অভিভাবক বলেন, এ বিদ্যালয়ে এবার কেউ পাস করতে পারেনি। এতে আমাদের এলাকার নাম খারাপ হচ্ছে। এখানে শিক্ষকরা তো প্রতিদিন আসেন, ঠিকমতো ক্লাস নেন কিনা সেটি সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের দেখা প্রয়োজন।

স্থানীয় বাসিন্দারা বলছেন, প্রতিষ্ঠান দুটি এমপিওভুক্ত হওয়ার পরেও শিক্ষকদের অবহেলায় পড়ালেখার মান থমকে গেছে। অভিযোগ রয়েছে, জেলার প্রত্যন্ত অঞ্চলের প্রতিষ্ঠানের প্রতি শিক্ষা কর্মকর্তাদের কোনো তদারকি নেই।

সদর উপজেলার জুজখোলা সম্মিলিত মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক উত্তম হালদার বলেন, আমাদের প্রতিষ্ঠান থেকে এ বছর ১২ জনের রেজিস্ট্রেশন সম্পন্ন করেছিলাম। তার মধ্যে ৫ জন পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে এবং সবাই ফেল করেছে। আমাদের সব ছাত্রী বিবাহিত হওয়ায় ঠিকমতো ক্লাসে আসেনি। তাই লেখাপড়া করতে পারেনি, এ কারণেই সম্ভবত এমন হয়েছে।

ভান্ডারিয়া উপজেলার মধ্য চড়াইল মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক দেলোয়ার হোসেন বলেন, এ বছর আমাদের স্কুল থেকে ৭ জন রেজিস্ট্রেশন করেছিল। এর মধ্যে ৪ জন নিয়মিত এবং ১ জন অনিয়মিতভাবে পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেছে। গ্রাম পর্যায়ের স্কুল হওয়ায় সবাই নিয়মিত ক্লাস করে না। এরা বাসায়ও ঠিকমতো পড়াশোনা করে না। যার ফলে উত্তীর্ণ হতে পারেনি।

পিরোজপুর জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা মো. ইদ্রিস আলী আযিযী বলেন, এ বিষয়ে আমরা কোনো তথ্য এখনো পাইনি। এসব তথ্য মূলত বোর্ডে থাকে। খোঁজ নিয়ে পরে আপনাকে জানাবো।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © 2026 dailyainerkantho কারিগরি সহযোগিতায়ঃ BDITWork.com