
হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের উদ্যোগে কওমি ঘরানার রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে একটি ঐক্যবদ্ধ জোট গঠনের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়েছে। ইতিমধ্যেই জোটের রূপরেখা তৈরিতে প্রতিটি দলকে তাদের নিজ নিজ নীতিমালা জমা দেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে। আর কওমি ঘরানার এই ঐক্যের সুর বাজতেই তথাকথিত ‘মওদুদী পাড়ায়’ স্পষ্ট অস্বস্তি ও আগুন লাগার মতো পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে।
রাজনীতির ভেতরের খবর এদেশের সচেতন মানুষ ঠিকই বোঝে। মাওলানা মামুনুল হকের নিশ্চিত বিজয়কে কীভাবে কেড়ে নিয়ে জামায়াতের আমীরকে বিজয়ী ঘোষণা করা হয়েছে, তা জাতি খুব ভালো করেই জানে। দেশের মানুষ অন্ধ নয়, কার জনপ্রিয়তা কেমন আর কাকে কীভাবে সামনে আনা হচ্ছে—সবই এখন পরিষ্কার।
আসলে বিষয়টি গভীরভাবে বুঝতে হবে। কওমি ধারার দলগুলো এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে জামায়াতের বলয় বা জোট ত্যাগ করার আগেই তাদের এই রূপ। যদি কখনো মাওলানা মামুনুল হক তাদের জোট থেকে চূড়ান্তভাবে বেরিয়ে আসেন বা সম্পূর্ণ আলাদা পথ ধরেন, তবে সেদিন ট্রল আর গালির বন্যা বয়ে যাবে। আর সেই অপপ্রচারের মূল কারিগর হবে তারাই, যারা আজ বন্ধুত্বের মুখোশ পরে আছে।
কওমি ঘরানার এই নতুন ঐক্য তাই সময়ের দাবি। নিজেদের অস্তিত্ব, আদর্শ এবং স্বাধীনতা রক্ষা করতে হলে এই ঐক্যবদ্ধ জোটের কোনো বিকল্প নেই।