
বর্তমানে দেশের রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট পরিবর্তনের সাথে সাথে স্বার্থান্বেষী গোষ্ঠী ও তাদের মদদপুষ্ট সংবাদমাধ্যমগুলোর আসল চেহারা উন্মোচিত হচ্ছে। যারা দীর্ঘকাল দিল্লির প্রেসক্রিপশন এবং তোষামোদি করে নিজেদের আধিপত্য টিকিয়ে রেখেছিল, তারা এখন অস্তিত্ব রক্ষার তাগিদে বিভিন্ন দ্বারে দ্বারে ধরণা দিচ্ছে। কিন্তু জুলাই বিপ্লব-পরবর্তী বাংলাদেশে কোনো ভাড়াটে গোষ্ঠী বা বিদেশি শক্তির এজেন্ডা বাস্তবায়ন হতে দেওয়া হবে না।
ক্ষমতার মোহে অন্ধ হয়ে আমাদের রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ অতীতে এসব সংবাদপত্রের দ্বারে যেভাবে ধরনা দিতেন, তা তাদের আত্মবিশ্বাসকে আকাশচুম্বী করে তুলেছিল। তারা নিজেদের এদেশের অঘোষিত ‘বাদশাহ’ মনে করতে শুরু করেছিল। কিন্তু শহীদ উসমান হাদি এবং ছাত্র-জনতার রক্তক্ষয়ী সংগ্রাম আমাদের শিখিয়ে দিয়েছে—অধিকার কখনো ভিক্ষা করে পাওয়া যায় না, তা আদায় করে নিতে হয়। এখন আর অপশক্তির আস্ফালনে ভয় পাওয়ার সময় নেই।
জেন-জি ও আগামীর বাংলাদেশ :
একটি ইনসাফভিত্তিক বাংলাদেশ বিনির্মাণে আমাদের ‘জেন-জি’ (Gen-Z) প্রজন্মকে ইস্পাতকঠিন ঐক্য বজায় রাখতে হবে। দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের প্রশ্নে কোনো ধরনের আপস করার সুযোগ নেই।
★ বিপ্লবী জনতাকে সাধারণ মানুষের অভাব-অভিযোগ ও মনের ভাষা বুঝতে হবে।
★ ক্ষমতার দাপট নয়, বরং সাধারণ মানুষের সেবায় নিজেকে বিলিয়ে দিতে হবে।
★ দেশবিরোধী যে কোনো ষড়যন্ত্র রুখতে রাজপথে এবং সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সর্বদা সজাগ থাকতে হবে।
ইনসাফ কায়েম না হওয়া পর্যন্ত এই সংগ্রাম চলবে-ইনশাআল্লাহ।
একটি বৈষম্যহীন ও সার্বভৌম বাংলাদেশ গড়াই হবে আমাদের চূড়ান্ত লক্ষ্য।
মাওলানা আতিকুর রহমান কামালী
অ্যাক্টিভিস্ট ও রাজনীতিবিদ।