1. dailyainerkantho@gmail.com : admin :
হাসপাতালের বিছানায় থেকে দিয়েছেন এইচএসসি পরীক্ষা: ইশার অদম্য ইচ্ছাশক্তি  - dailyainerkantho
১লা আগস্ট, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ| ১৭ই শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ| বর্ষাকাল| শনিবার| রাত ২:৫৬|
শিরোনামঃ
জুলাই অভ্যুত্থানের একমাত্র মাস্টারমাইন্ড মহান আল্লাহ,ইনসাফ গার্ডের সভাপতি খান রায়হান রাজশাহীতে সাংবাদিক সম্রাটকে কুপিয়ে জখম, অবস্থা আশঙ্কাজনক সান্তাহারে ভেজাল আইসক্রিম কারখানায় অভিযানে ১০ লক্ষ টাকার মালামাল জব্দ, গোডাউন সিলগালা এফআইআরে নাম না থাকলেও নুসরাত হত্যা মামলায় সাজা খাটছেন অর্ধ যুগের বেশি. হাইকোর্টে ন্যায়বিচার চান ভক্তভোগীর স্বজনরা. হরিণাকুণ্ডু উপজেলা আইন-শৃঙ্খলা কমিটির মাসিক সভা অনুষ্ঠিত: স্কাউটিং কে গতিশীল করতে আমি সর্বাত্মক সহযোগিতা করবো- গাজালা পারভীন রুহী বগুড়ায় ডিবি পুলিশের অভিযানে ২ হাজার ট্যাপেন্টারডল ট্যাবলেট উদ্ধার, তিনজন গ্রেপ্তার!! আদমদীঘি থানা পুলিশের বিশেষ অভিযানে নারী সহ গ্রেপ্তার-৮!! নেত্রকোণা ইউনিয়ন পর্যায়ে জনপ্রিয়তার শীর্ষে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মজিবুর রহমান ধর্মপাশা জয়শ্রী ইউনিয়নে আলোচনার তুঙ্গে কারানির্যাতিত যুবদল নেতা আবুল বাশার

হাসপাতালের বিছানায় থেকে দিয়েছেন এইচএসসি পরীক্ষা: ইশার অদম্য ইচ্ছাশক্তি 

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • Update Time : সোমবার, জুন ৩০, ২০২৫,
  • 141 Time View

গত শুক্রবার (২৭ জুন) রাতে সিজারিয়ান অপারেশনের মাধ্যমে কন্যাসন্তান জন্ম দেন ইশা। আর রবিবার (২৯ জুন) সকাল ১০টায় নিপুণ ক্লিনিকেই অনুষ্ঠিত হয় তাঁর বাংলা দ্বিতীয় পত্রের লিখিত পরীক্ষা। মা ও নবজাতক উভয়েই সুস্থ আছেন।

ইশার বাড়ি শরীয়তপুর সদর উপজেলার তুলাশার গ্রামে। বাবা মো. শাহ আলম সিকদারের একমাত্র মেয়ে ইশা গত বছর (২৮ জুন) বিয়ে করেন কাশাভোগ এলাকার মাহবুবুর রহমান তুষারকে, যিনি ঢাকার একটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী।

সন্তানসম্ভবা অবস্থাতেও ইশা নিয়মিত পরীক্ষায় অংশ নিচ্ছিলেন। গত বৃহস্পতিবার (২৬ জুন) বাংলা প্রথম পত্র পরীক্ষা দেয়ার পর শুক্রবার রাতে প্রসব বেদনা শুরু হলে তাঁকে ক্লিনিকে ভর্তি করা হয়।

চিকিৎসাধীন থাকা অবস্থায়ও পরীক্ষা দিতে চান ইশা। বিষয়টি কলেজের শিক্ষক মো. মাসুম মিয়াকে জানানো হলে তিনি অধ্যক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করেন। অধ্যক্ষ প্রফেসর মো. ওয়াজেদ কামালের অনুমতিক্রমে রবিবার সকালে ক্লিনিকে উপস্থিত হয়ে এক নারী শিক্ষক ও এক নারী পুলিশ সদস্যের মাধ্যমে পরীক্ষার আয়োজন করা হয়।

প্রফেসর ওয়াজেদ কামাল বলেন,
মেয়েটির এমন সাহসিকতা আমাদের মুগ্ধ করেছে। হাতের লেখা ছিল অসাধারণ সুন্দর। সে খুব মনোযোগ দিয়ে পরীক্ষা দিয়েছে। এই মেয়েরাই আমাদের গর্ব।

ইশার মা সুহাদা বেগম বলেন,
মেয়ের এমন সাহসিকতা ও অধ্যবসায় দেখে আমি অভিভূত। এত বড় ধকলের পরও সে পরীক্ষায় বসেছে—এটা ভাবতেই পারিনি। সবার কাছে দোয়া চাই আমার মেয়ে ও নাতনির জন্য।”

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © 2026 dailyainerkantho কারিগরি সহযোগিতায়ঃ BDITWork.com