
শনিবার (২০ সেপ্টেম্বর) বিকেলে আমতলা ইউনিয়নের বিশ্বনাথপুর বাজারে আয়োজিত এক পথসভায় জামায়াতে যোগ দেন তারা।
জামায়াতে যোগ দেওয়া নেত্রকোনা জেলা ছাত্রদলের সাবেক সদস্য ও সাবেক পৌর বিএনপির সদস্য সাইদুর রহমান আমতলা ইউনিয়নের বিশ্বনাথপুর গ্রামের বাসিন্দা। সাইদুর রহমানসহ জামায়াতে যোগ দেওয়া ৫০ নেতাকর্মী বর্তমান জেলা বিএনপির সভাপতি ডা. আনোয়ারুল হকের নিজ ইউনিয়নের বাসিন্দা।
সাইদুর রহমান জানান, আমি ছাত্র রাজনীতি থেকে বিএনপির সঙ্গে জড়িত। আমি মূল্যায়ন পাইনি। বর্তমানে দায়িত্বরত জেলার নেতারা ত্যাগীদের বঞ্চিত করে স্বজনপ্রীতির মাধ্যমে হাইব্রিডদের জায়গা করে দিয়েছে। হাইব্রিডদের অপকর্মের জন্য দলের জনপ্রিয়তা ও ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হয়েছে। দলে মূল্যায়ন না পেয়ে ইনসাফভিত্তিক দল জামায়াতে ইসলামীতে যোগদান করেছি। আমার সঙ্গে ৫০ নেতাকর্মীও যোগদান করেছে। এ ধারা ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে সংসদ সদস্য প্রার্থী মাওলানা এনামুল হক বলেন, বিগত ১৬ বছর আমরা অত্যাচার-নির্যাতনের শিকার হয়েছি। একসঙ্গে পাঁচজনকেও অনুষ্ঠান পালন করতে দেয়নি। সেই স্বৈরাচার দেশ থেকে পালাতে ৪৫ মিনিট সময়ও পায়নি। চাঁদাবাজি, লুট, গুম, খুনসহ এমন কোনো অত্যাচার নেই যা তারা করেনি।
তিনি আরও বলেন, ৫ আগস্টের পর কি এদেশে চাঁদাবাজি বন্ধ হয়েছে? আগামী সংসদ নির্বাচনে ইসলামের শাসন প্রতিষ্ঠা, ইনসাফভিত্তিক রাষ্ট্র গড়ে তুলতে দাঁড়িপাল্লায় ভোট দেওয়ার আহ্বান জানাই।
এ বিষয়ে জানতে জেলা বিএনপির সভাপতি ডা. আনোয়ারুল হকের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করেও তাকে পাওয়া যায়নি।
নেত্রকোনা জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ড. রফিকুল ইসলাম হিলালী সাংবাদিকদের বলেন, আমি একটি সম্মেলনে আছি। নেতাকর্মীদের জামায়াতে যোগদানের বিষয়টি আমি জানি না।