
তিনি বলেন, ‘আমাদের যেসব এলাকায় দায়িত্ব রয়েছে, সেখানে এত বড় শিপমেন্ট আগে কখনও দেখিনি। আমরা আগে ১৮টি আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলাম, সর্বোচ্চ ৫০টিতে। এখন আমরা বিশ্বাস করি, আল্লাহর ইচ্ছায় অন্তত ১৬০টি আসনে বিজয়ী হতে পারব।’
শুক্রবার (৩ অক্টোবর) সকালে খুলনার সোনাডাঙ্গা থানাধীন আল ফারুক সোসাইটি মিলনায়তনে খুলনা মহানগর ইসলামী ছাত্রশিবিরের উদ্যোগে আয়োজিত সদস্য পুনর্মিলনী (১৯৭৭–২০২৫) অনুষ্ঠানে প্রধান বক্তার বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
‘সম্প্রীতির টানে শিকড়ের পানে’ শ্লোগানে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল ও সাবেক সংসদ সদস্য মিয়া গোলাম পরওয়ার।
সভায় সভাপতিত্ব করেন খুলনা মহানগরী ছাত্রশিবিরের সভাপতি আরাফাত হোসেন মিলন এবং সঞ্চালনায় ছিলেন মহানগর সেক্রেটারি রাকিব হাসান। বিশেষ অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও খুলনা অঞ্চল সহকারী পরিচালক মাওলানা আবুল কালাম আজাদ, কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরা সদস্য ও খুলনা মহানগর আমির অধ্যাপক মাহফুজুর রহমান, খুলনা জেলা আমির মাওলানা এমরান হুসাইন, মহানগর জামায়াতের নায়েবে আমির অধ্যাপক নজিবুর রহমান ও সেক্রেটারি অ্যাডভোকেট শেখ জাহাঙ্গীর হুসাইন হেলাল।
নুরুল ইসলাম সাদ্দাম তার বক্তব্যে বলেন, ‘বার্ধক্য আসার আগেই আমাদের যৌবনের সময়টাকে কাজে লাগাতে হবে। প্রাক্তন দায়িত্বশীলদের উচিত জামায়াত নেতৃত্বের প্রতি আস্থা রাখা, কারণ এই নেতৃত্ব অনেক দূরদর্শী ও বাস্তবতায় ভিত্তি করে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে।’
তিনি বলেন, ‘যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে একসময় আমাদের দাঁড়ানোর সুযোগ ছিল না, সেই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ডাকসুতে আজ আমরা প্রতিনিধিত্ব করছি। বামদের শক্ত ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়েও আল্লাহ আমাদেরকে সাফল্য দিয়েছেন। এসব অর্জন ধরে রাখতে হবে, যাতে অহংকার বা অহেতুক বিতর্কে জড়িয়ে না পড়ি।’
তিনি আরও বলেন, ‘ফেসবুকে অযথা কথার লড়াইয়ে না গিয়ে আমাদেরকে সংযমী হতে হবে। যারা গালি দেয়, তাদেরকে প্রতিউত্তর না দিয়ে এড়িয়ে চলতে হবে। গালি কোনো জবাব নয়।’
সাদ্দাম বলেন, ‘আমরা বিশ্বাস করি আমাদের সংগঠনের দায়িত্বশীলরা এধরনের অনুচিত আচরণে জড়ায় না। তবে কেউ কেউ আবেগে পড়ে সামাজিক মাধ্যমে কিছু মন্তব্য করে ফেললে তাদেরও সংযত থাকা উচিত।’